বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংবিধান উপেক্ষা করে কাশ্মীরে মসজিদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ শুরু ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন: খেলাফত মজলিস ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি

নকলায় আ.লীগ বিএনপি সংঘর্ষ; বিএনপির ৫ নেতা আটক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শেরপুরের নকলা উপজেলার স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়দলের অন্তত ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

জানা যায়, উপজেলার টালকি ইউনিয়নের রামেরকান্দি ও নারায়ণখোলা এলাকায় ভাঙচুর করা হয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুটি নির্বাচনী অফিস।

শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) রাত ৭টা ও ৮টার দিকে এসব ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপির ৫ নেতাকে পুলিশ আটক করেছে। এর মধ্যে নকলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলমও রয়েছেন।

এ ঘটনা বিএনপির নেতাদের আটক করা হলেও উভয়দলই একে-অপরকে দায়ী করেছে।

এলাকাবাসী জানান, নকলার টালকি ইউনিয়নের রামেরকান্দি বাজারে শুক্রবার সন্ধ্যায় বিএনপি প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর পক্ষে একটি নির্বাচনী অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় সেখানে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে এবং বিএনপির নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়। হামলায় উভয়দলের ১৫ নেতাকর্মী আহত হন।

আহতদের মধ্যে টালকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মেগা মিয়া, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেন, তার ভাই মনির হোসেনসহ কয়েকজনকে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জহিরুল হক কেশু, টালকি ইউপি চেয়ারম্যান বুলবুলসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীও আহত হন।

সংবাদ পেয়ে নকলা থানা পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে নকলা বাজারে আওয়ামী লীগ কর্মীদের মিছিল থেকে বিক্ষুদ্ধ সমর্থকরা ইসিবপুর এলাকায় বিএনপি কর্মী দুলাল মিয়ার বাসার গেট ভাঙচুর করে এবং দুটি মোটরসাইকেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে।

নকলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রেফাজ উদ্দিন বিএনপির নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও হামলার জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও পুলিশকে দায়ী করেছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে আর পুলিশ আমাদের ওপর রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ছুড়েছে। আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং আরও কয়েকজকে পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।

এসব বিষয়ে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, স্থানীয়ভাবে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উত্তেজনা দেখা দিলে কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ