শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

মাকড়সা বৃষ্টি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফরসা আকাশ, অথচ মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে সেই বৃষ্টিতে নেই পানির ফোঁটা। বৃষ্টির ফোঁটার পরিবর্তে আকাশ থেকে ঝরছে কোটি কোটি মাকড়সা!

শুধু তাই নয়, যে এলাকায় এই মাকড়সা বৃষ্টি হচ্ছে সেই এলাকা ছেয়ে গেছে মাকড়সার জালে। সাদা হয়ে আছে চারপাশ। গল্প মনে হলেও সত্যি, দিন কয়েক আগে ব্রাজিলের মিনাস গেরাইস রাজ্যের এমন বৃষ্টি হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ানের খবর বলছে, বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মিনাস গেরাইস রাজ্যে গরম, আর্দ্র আবহাওয়ার সময় এমন ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক নয়, এমন মাকড়সা বৃষ্টি অনেকসময়ই ঘটে থাকে।

সূত্র বলছে, এর আগে অস্ট্রেলিয়ার গুলবার্ন ও ওয়াগা ওয়াগা শহর, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসেও মাকড়সা বৃষ্টি হয়েছে।

ব্রাজিলের মিনাস গেরাইস রাজ্যের মাকড়সা বৃষ্টির ছবি এবং ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোর অন্যতম একটি মোবাইলে রেকর্ড করেছিলেন ওই রাজ্যের জোয়াও পেড্রো মার্টিনেলি ফোনসেকা নামের এক তরুণ। জোয়াও পরে বলেছেন, এই দৃশ্যটি তাকে ‘বিস্মিত এবং সন্ত্রস্ত’ করেছিল তীব্রভাবে।

প্রায় এক সপ্তাহ আগে ফেসবুকে জোয়াওর মা সিসিলিয়া জুনিনহো ফোনসেকা ভিডিওটি পোস্ট করেন এবং এর পরই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

জোয়াওর দিদিমা জেরিসিনা মার্টিনেলি স্থানীয় সংবাদপত্রকে বলেন, ‘আপনি ভিডিওতে যা দেখছেন, তারচেয়ে ঢের বেশি মাকড়সা আর মাকড়সার জাল ছিল। আমরা এমন আগেও দেখেছি, সত্যিই যখন প্রচণ্ড গরম পড়ে, সন্ধ্যায় এমনটা ঘটে।’

এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটাকে বেলুনিং বলে। ডিম পাড়ার আগে মাকড়সা সূক্ষ্ম রেশমের মতো কিছু একটা তৈরি করে। আর এর ভেতরেই থাকে ডিম। এই রেশমের মতো বস্তুটি দিয়ে তারা উড়ে উড়ে বহুদূর যেতে পারে। এ জন্য তাদের আট পায়ে হাঁটার দরকার হয় না। আর উড়ে যাওয়ার সময় ডিম ফুটে কোটি কোটি বাচ্চা বের হয়। শূন্য থেকে সেই বাচ্চাগুলো নামতে থাকে বলে তা মাকড়সা বৃষ্টির মতো মনে হয়। এটা সব সময় হয় না। আর এই মাকড়সা বৃষ্টি মানুষের জন্য ক্ষতিকরও নয়।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ