মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

হজে যাওয়ার আগে যেসব প্রস্তুতি নেয়া জরুরি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আব্দুল্লাহ আফফান: হজ আর্থিক ও শারীরিক সামর্থবানদের জন্য ফরজ। যারা হজের সফরের জন্য রওয়ানা হবেন, তার আগেই মাসাধিককালের দীর্ঘ সফরের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা জরুরি। যেন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক সফরকারী সঠিক ও সুন্দরভাবে হজের কাজগুলো যথাযথ সম্পাদন করতে পারে। শারীরিক ও মানসিকভাবে থাকতে পারে সুস্থ ও সবল থাকতে পারে।

হজের জন্য নিয়তকে বিশুদ্ধ করুন: হজ আর্থিক, শারীরিক ও আত্মিক ইবাদত। সম্পদশালীদের জন্য ইসলামের অন্যতম রোকন। এ ইবাদত পালনে প্রথমেই নিয়তের পরিশুদ্ধতা প্রয়োজন। বিশুদ্ধ নিয়ত ছাড়া হজ হবে না। কেননা মানুষের প্রতিটি আমলই নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।

ইসলামের অন্যতম রোকন তথা হজের বিশুদ্ধতার জন্য নিয়তের পরিশুদ্ধতায় বিশ্বনবির এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়ুন এবং হজের জন্য নিজেকে তৈরি করে নিন- উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা হাজিহি হাজ্জাতান লা রিয়াআন ওয়ালা সুমআহ।’ অর্থ: হে আল্লাহ! এ হজকে এমন হজ হিসেবে কবুল করুন, যেখানে কোনো প্রদর্শন ও খ্যাতি অর্জনের ইচ্ছা না থাকে।

লোক দেখানো বা শোনানোর ইচ্ছে থাকলে, প্রদর্শন বা খ্যাতির নিয়ত থাকলে তা মন থেকে এখনই ঝেড়ে ফেলুন। হজ সহ সকল ইবাদত একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য করুন। এছাড়া আল্লাহ তায়ালা কারো ইবাদত কবুল করবেন না।

হজের আহকাম পালনে যথাযথ জ্ঞান অর্জন করা: আর্থিক, শারীরিক ও আত্মিক ইবাদত হজ। এতে রয়েছে অনেক কষ্টকর সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম-কানুন ও বিধান। ইহরাম, ইহরামের কাপড় পরিধান, তাওয়াফ ও সাঈ’র নিয়ম জেনে নেয়া। মক্কা, মিনা, আরাফাতের ময়দান, মুজদালিফা ঘুরে মিনায় অবস্থান, কংকর নিক্ষেপ ও কুরবানির যাবতীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা।

তালবিয়া শিখে নেয়া: হজের গুরুত্বপূর্ণ অংশহলো তালবিয়া পাঠ। ইহরামের পর থেকে তালবিয়া পাঠে রয়েছে সবচেয়ে বেশি সাওয়াব ও গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত। তাছাড়া তাওয়াফ, সাঈ, মিনা, মুজদালিফা ও আরাফায় পঠিত গুরুত্বপূর্ণ তাসবিহ ও দোয়া। এগুলো শিখে নেয়া আবশ্যক।

মুয়াল্লিমের ওপর নির্ভরশীল না হওয়া: হজের সফরে মুয়াল্লিম সব কিছু দেখিয়ে দেবে কিংবা পড়িয়ে-শিখিয়ে দেবে এমনটি না ভেবে নিজে নিজে প্রস্তুতি গ্রহণ ও না জানা বিষয়গুলো জেনে নেয়া জরুরি। কোন কারণে মুয়াল্লিম যদি হজের সফরে সহযোগিতা করতে না পারে, সে সময় যেন হজের গুরুত্বপূর্ণ রোকনগুলো ছুটে না যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।

হজের আগেই দায়মুক্ত হওয়া: ঋণ পরিশোধ করা হজ পালনেচ্ছু প্রত্যেকের জন্য জরুরি। কারো কাছে কোনো বিষয়ে দায়বদ্ধতা থাকলে তা থেকে মুক্ত হওয়া। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের অ