শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

রাখাইনে ভারতের বানিয়ে দেয়া বাড়ী মুসলিদের জন্য না হিন্দুদের জন্য এ নিয়ে বিতর্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য বানানো ২৫০টি ঘর দেশটির সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতেই তাদের এ উদ্যোগ বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন ভারতীয় একজন কর্মকর্তা।

জানা যায়, ভারতীয় ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ফেরার পরিবেশ তৈরি করতেই তারা আড়াই কোটি ডলারের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছে, যার অংশ হিসেবে সেখানে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে।

উত্তর রাখাইনের শোয়ে জার, কেইন চং টং এবং নান্ট থার টং গ্রামে বানিয়ে দেওয়া ওই ২৫০টি বাড়ি চলতি সপ্তাহে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন মিয়ানমারে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত সৌরভ কুমার।

ভারত কেবল হিন্দু রোহিঙ্গাদের জন্য বাড়িগুলো বানিয়ে দিয়েছে বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর এলেও মিয়ানমার সরকার তা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলমান রোহিঙ্গারাও সেখানে আশ্রয় পাবে।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, তাদের দেওয়া সহযোগিতার টাকায় রাখাইনে স্কুল ও বাজার নির্মাণের মতো ২১টি প্রকল্পের একটি প্রস্তাবিত তালিকাও মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দিয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলে আসছে, রাখাইনে নিপীড়ন বন্ধ না হলে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এ ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তেমন কোনো সুফল পাওয়া যাবে না।

উল্লেখ্য, নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে প্রায় দুই বছর ধরে। তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও তার বাস্তবায়ন হয়নি।

কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে দুর্দশার মধ্যে দিন কাটলেও রোহিঙ্গারা ফিরতে চাইছে না। কারণ তাদের ধারণা, ফিরে গেলে আবারো তাদের নিপীড়নের শিকার হতে হবে। সেজন্য জাতিসংঘের মতো বাংলাদেশও মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরার অনুকূল পরিবেশ তৈরি ওপর জোর দিয়ে আসছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ