বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

'অসদাচরণে অভিযুক্ত' বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধান বিচারপতিই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর থেকে ছুটিতে গেছেন হাইকোর্টের তিন বিচারক।

তদন্তের ক্ষেত্রে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল না থাকায়, এখন রাষ্ট্রপতির পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি-ই এদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন, বলছেন বিশ্লেষকরা। এর আগেও হাইকোর্টের চার বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তারা আর ফিরে আসেননি বিচারিক কার্যক্রমে।

সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলেই বিচারকদের যে কোন অসদাচরণ, দুর্নীতি তদন্তের ভার ছিলো। তবে, এটি এখন না থাকায় রাষ্ট্রপতির পরামর্শে প্রধান বিচারপতিই উচ্চ আদালতের বিচারকদের দুর্নীতি তদন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন।

কারণ সংবিধান অনুযায়ি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষই সব সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতির পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার আছে জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টে।

হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা উল হক ও বিচারপতি একেএম জহুরুল হককে বিরুদ্ধে সম্প্রতি দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে বিচারিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় তদন্ত প্রক্রিয়া কিভাবে এগিয়ে যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এর আগেও উচ্চ আদালতের চারজন বিচারকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেছিল। এদের মধ্যে দুইজনকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল চাকুরীচ্যুত করে। পরে একজন এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।

আপিল বিভাগ পরে কাউন্সিলের দেয়া বরখাস্তের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে। বাকি দুইজন তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার দুর্নীতি, অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করছে দুনীতি দমন কমিশন-দুদক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ