বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি চিকিৎসা শেষে আজ দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস ‘ক্যানসারের কঠিন সময়ে সুরা আর-রহমানই জুগিয়েছে মানসিক শক্তি’ ময়মনসিংহে সীরাতকেন্দ্রের ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ শুক্রবার নেতাকর্মীদের অন্যায়-অবিচার না করার শপথ ধর্মমন্ত্রীর ৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান ‘জনরোষ সৃষ্টি হওয়ার আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’ জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎

'বাংলাদেশের জাতির পিতাও গান্ধীজির আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিতেন'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মদিন আগামী ২ অক্টোবর। তাকে স্মরণ করার জন্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে এসেছেন বিশ্ব সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ মানুষরা। সেখানে যোগ দিয়েছে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতারেস, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন, সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন এবং জ্যামাইকার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রু হোলনেস।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিরা ফটোসেশনে অংশ নেন। এরপর সবাইকে সাথে নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৫০ কিলোওয়াটের ‘গান্ধী সোলার পার্ক’র উদ্বোধন করেন। তারা গোলাকার সাদা একটি বলে হাত রাখলে সেটি জ্বলে ওঠে। তখন একটি ছোট্ট তথ্যচিত্র দেখানো হয়। 'সমসাময়িক বিশ্বে মহাত্মা গান্ধীর প্রাসঙ্গিকতা' শীর্ষক এই স্মরণ অনুষ্ঠানজুড়ে তখন অদ্ভূত এক মুগ্ধতা। এ সময় মহাত্মা গান্ধীর ওপর একটি জাতিসংঘের স্ট্যাম্প অবমুক্ত করা হয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস জয়শংকর স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এরপর বক্তব্য দিতে আসেন নরেন্দ্র মোদি। গোটা বিশ্বের সামনে তিনি মহাত্মা গান্ধী ও তার অহিংস আন্দোলনের নীতি তুলে ধরেন।

একটি উদাহরণ দিতে গিয়ে মোদী বলেন, 'একবার রানী এলিজাবেথের সাথে আমার দেখা হয়েছিল। তিনি আমাকে তার আবেগঘন একটি উপহার দেখান। হাতে তৈরি এক টুকরো কাপড়। যেটা তৈরি করে মহাত্মা গান্ধী রানীর বিয়েতে উপহার দিয়েছিলেন'।

মোদি বলেন, 'যাদের বিরুদ্ধে তিনি স্বাধীনতার আন্দোলন করেছিলেন, সেই তাদের রানীকে মহাত্মা গান্ধী এমন আন্তরিক উপহার দিয়েছিলেন। এতেই বোঝা যায়, তিনি কতটা অহিংস মনের ছিলেন।'

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'বাংলাদেশের জাতির পিতাও গান্ধীজির আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিতেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত তিনি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। কিন্তু পাকিস্তানি বাহিনী যখন নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায়, তখন তিনি সশ্রস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন'।

আবেগঘন কণ্ঠে শেখ হাসিনা বলেন, 'এই দুই নেতাকে হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছে।'

আগামী বছর বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘে একটি অনুষ্ঠান করার কথা ভাবা হচ্ছে। তিনি মহাত্মা গান্ধীর আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ