সুফিয়ান ফারাবী
বিশেষ প্রতিবেদক
ভোলার ঘটনার প্রতিবাদে কাতারের বাংলাদেশের প্রবাসীরা একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার উপস্থিতিতে এ প্রতিবাদ সভা আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কাতারের স্থানীয় ইমাম ও খতিবদের বক্তব্যের শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন, কাতার সফররত বাংলাদেশের শীর্ষ আলেম, মজলিসে তালিমুস সুন্নাহর মহাসচিব, কওমী ফোরাম জৈষ্ঠ সমন্বয়ক, মারকাযুত তারবিয়াহ বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল পীরে কামেল আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী।
আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী বলেন, অনুষ্ঠানটির নাম দেয়া হয়েছে প্রতিবাদ সভা। কিন্তু আমি মনে করি এটি শুধু প্রতিবাদ সভা নয়, এটি রাসূলের স. প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ-এর সভাও বটে। অনলাইনে আমি নিউজগুলো দেখে নিরবে কেঁদেছি, অশ্রু ঝরিয়েছি।
মুসলমানদের রক্তের দাম কতটা কমে গেলে এমন চিত্র আমাদেরকে বারবার দেখতে হয় বিষয়টি নিয়ে ভাবা দরকার। এমন কুরবানি মুসলমানরা যুগে যুগেই দিয়ে এসেছেন। এটাই আসলে মুসলমানদের ঈমান।
যারা রক্ত দিয়েছেন তারা ঈমানি দায়িত্ব পালন করেছেন। আর যারা প্রতিবাদ করেছেন তারাও একত্ববাদ-রেসালাতের সাক্ষ্য দিচ্ছেন।
আগত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আজকে এখানে যেসকল সাংবাদিক ভাইয়েরা এসেছেন, তারা নিশ্চয়ই কোনো সরকারকে গদি থেকে নামানোর জন্য আসেননি। তারাও এসেছেন আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ভালোবাসা বহিঃপ্রকাশে।
তারা তাদের ঈমানী দায়িত্ব পালনে এখানে এসেছেন বলে আমার বিশ্বাস। এজন্য প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার যে সকল বন্ধুরা এসেছেন তাদেরকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আল্লাহ তায়ালা আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।
সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবি বলেন, কিছু মৌলিক কথা মিডিয়ার মাধ্যমে আমাদের কথাগুলো প্রশাসন, পুলিশ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সারা বিশ্বের সকল মানুষের কাছে পৌছে দিতে চাই।
তারপর আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবি ইসলাম বিদ্বেষীদের উদ্দেশ্যে এসকল বার্তা প্রেরণ করেন- ১- রক্ত ঝরিয়ে আমাদেরকে দমানো যাবে না। আমরা সে’ জাতি নই। বদর থেকে শুরু করে উহুদ খন্দক এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু সালামের ইজ্জতের হেফাজতের উদ্দà§