সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি

অনন্য বিজেতার অনবদ্য বিজয় কাহিনী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আ.আজিজ রোমান ।।

বিজিত অঞ্চলে প্রবেশ করছেন মহান এক বিজেতা। কোনও ঔদ্ধত্য-অহংকার ও কঠোরতা নেই তাঁর মধ্যে। আজ তিনি শান্ত সমাহিত বিনীত। বিনয়াবনত বদন যেন উটের হাওদায় লেগে যাবে। পবিত্র জবানে সুরা ফাতহ তেলাওয়াত করছেন। অন্তর জুড়ে বিরাজ করছে রবের প্রতি অকৃত্রিম শুকরিয়া। পরম করুণাময় কৃত ওয়াদা বাস্তবায়িত করে পুরো শহর নিজ দয়ায় তাঁর হাতে তুলে দিয়েছেন।

এটা সে শহর, যেখানে তিনি বেড়ে উঠেছেন। আমিনার কোলে দীপ্ত রবি হয়ে উদিত হওয়ার পর এখানে কাটিয়েছেন শৈশব, কৈশোর ও তারুণ্য। এর পরতে পরতে স্মৃতিরা লুকিয়ে আছে। অথচ কিছু লোক অকথ্য জুলুম করেছিল তাঁর ওপর, নবুওয়াতের দাবির কারণে। হাজারো নির্যাতন-নিপীড়ন সয়েছেন এখানে। শেষতক আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে হিজরত করেছেন। উঁচু-নিচু বন্ধুর পথ মাড়িয়ে। পদে পদে ছিল ধরা পড়ার আশঙ্কা

হৃদয়ের ক্ষতগুলো ছিল জীবন্ত। এগুলো শুকোয়নি এখনও। আজ সেসব দুষ্ট প্রকৃতির জালেমদের হাতের নাগালে এনে দিয়েছেন মহান রব। সুন্দর করে পরিবেশন করেছেন তাঁর সামনে। ইচ্ছে করলেই শত্রুদের কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলতে পারেন। কর্তিত অঙ্গগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিতে পারেন সাফা মারওয়ায়।

রক্তগঙ্গা বইয়ে দিতে পারতেন, হালাকুর মতো। উপাসনালয়ে আশ্রয় নেয়া লোকগুলোকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে দিতে পারতেন, ফারদিনান্দ-ইসাবেলার মতো। তিনি এমনটি করেননি, কারণ বিশ্বজাহানের জন্য রহমত স্বরূপ তিনি প্রেরিত। নিজে যেমন এসব করেননি, তেমনি সাথী-সঙ্গীদেরও এসব করতে দেননি। কঠোরভাবে নিষেধ করেছিলেন।

আপন সাহাবি আনসারদের পতাকাবাহী সাদ রাদি.-,' আজ রক্তপ্রবাহের দিন' বললে পতাকাই ছিনিয়ে নেন তাঁর হাত থেকে! সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেন। বললেন, যারা আবু-সুফিয়ানের ঘরে প্রবেশ করবে তারা মুক্ত, মসজিদে হারামে চলে গেলে মুক্ত, নিজঘরে দুয়ার বন্ধ করে রাখলে মুক্ত। এমনকি অস্ত্রধারী সম্মুখ সমরে না-গিয়ে হাতিয়ার রেখে আত্মসমর্পণ করলে মুক্ত।

চাষা শত চেষ্টা করলেও ফসলি জমি আগাছা মুক্ত রাখতে পারে না। খেতে গজিয়ে ওঠে আগাছা। সোনালি ফসল রক্ষার্থে চাষা বাধ্য হয় আগাছা ছাঁটাই করতে। নবিজি সা.-ও সঙ্গিদের আদেশ দিয়েছিলেন,'কেউ যেন প্রথমে হামলা না করে, আক্রমণ হলে প্রতিহত করা হবে; তরবারি ব্যবহার করা হবে। অন্যথায় তলোয়ার ব্যবহার করা হবে না!'

দুষ্ট প্রকৃতির কতিপয় আগাছা রয়েই গেল। সম্মুখ সমরে আবির্ভূত হলো তারা। সাহাবায়ে কেরাম তখনই কেবল তরবারি ব্যবহার করলেন। তাদেরকে সমুচিত জবাব দিলেন।

নবিজি সা. প্রবেশ করলেন আল্লাহর ঘরে, বাইতুল্লায়। তিনশো ষাটটি মূর্তি রাখা ছিল ভেতরে-বাইরে ও আঙ্গিনায়। মুশরিকদের নাপà