সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের সব ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার কমিটি বাতিল ফ্রান্সে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আলিম পরীক্ষা ২০২৮, নম্বর বণ্টনসহ নতুন সিলেবাস প্রকাশ বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয়

মমতাকে রাজ্যভবনে তলব, সংকটের আশঙ্কা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে ভারতের কয়েকটি রাজ্যে চলছে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তার মধ্যে অন্যতম।

জানা যায়, গত কয়েকদিনে এ রাজ্যে ব্যাপক বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এ আইনের ঘোর বিরোধী এবং এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজভবনে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর নিতে তলব করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

আগামীকাল মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীকে সুবিধামতো সময়ে রাজভবনে যেতে বলেছেন তিনি। চলমান সংকটে রাজ্যে সাংবিধানিক সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সোমবার সকালে রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীবা সিনহা ও রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে তলব করেছিলেন রাজ্যপাল।

কিন্তু তারা কেউই এদিন রাজভবনে যাননি। এমনকি তারা যে রাজভবনে আজ আসতে পারবেন না, তাও তারা তাকে সরকারি জানাননি। রাজ্যপালের কথায়, ‘এটা শুধু দুর্ভাগ্যজনক নয়, তাদের কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতও বটে।’

আজ সোমবার তৃণমূল কলকাতায় নাগরিকত্ব আইনবিরোধী যে মিছিলের ডাক দিয়েছিল তা নিয়েও তার আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তিনি সোমবার সকালেই টুইট করে বলেছিলেন, সংবিধানবিরোধী কাজ করা থেকে বিরত থাকুন মুখ্যমন্ত্রী। উস্কানি দেওয়াও বন্ধ করুন।

পর্যবেক্ষকদের মতে, পরিস্থিতির যা গতিপ্রকৃতি তাতে মনে হচ্ছে না যে মুখ্যমন্ত্রী আগামীকাল রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। বরং হতে পারে কৌশলগতভাবে রাজভবনের সঙ্গে সংঘাতটাই তীব্র করে তুলতে চাইছে তৃণমূল। যাতে রাজ্যপাল তথা মোদি সরকার মমতার সরকারের বিরুদ্ধে কোনও সাংবিধানিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।

এখন দেখার বিষয় রাজ্যপাল কী করেন। সুপ্রিম কোর্টের পোড় খাওয়া এই আইনজীবী প্রতিটি কথা যে মেপে বলছেন তা নিয়ে সন্দেহ নেই। তার প্রতিটি বিবৃতি ও টুইটে শব্দ চয়ন দেখলেই তা বোঝা যাবে। তবে গোটা ব্যাপারটাই নির্ভর করছে মোদি-অমিত শাহদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর। কারণ, তারাও হয়তো আন্দাজ করতে পারছেন যে, তৃণমূল শহিদের মর্যাদা পেতে চাইছে।

ফলে রাজ্যপাল নবান্ন তথা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপের সুপারিশ করলেও মোদি-অমিত শাহরা তাতে এখনই সায় দেবেন কিনা সেই প্রশ্নও থাকছে। অবশ্য সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যে ক্রমশ ঘোলাটে হচ্ছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ