মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের সব ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার কমিটি বাতিল ফ্রান্সে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আলিম পরীক্ষা ২০২৮, নম্বর বণ্টনসহ নতুন সিলেবাস প্রকাশ বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয়

রোববার থেকে পরিবেশ ও বায়ু দূষণকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান: মেয়র আতিক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সড়ক নির্মাণ, খোঁড়াখুঁড়ি ও ভবন নির্মাণসহ পরিবেশ ও বায়ু দূষণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র মুহা. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, চলতি মাসের ২২ তারিখ থেকে ডিএনসিসির একাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একযোগে উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘ধুলাবালিমুক্ত পরিচ্ছন্ন মহানগরী নিশ্চিতকল্পে’ আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভায় ডিএনসিসি মেয়র এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

মেয়র আতিক বলেন, অনেক সময়ে কাজ সরকারি হতে পারে, কিন্তু কাজটি করানো হয় ঠিকাদারের মাধ্যমে। ঠিকাদারের দোষ সরকার কাঁধে নিবে না। প্রত্যেক ঠিকাদারকে কাজ দেবার সময়ে পরিবেশ দূষণ রোধ ও পরিচ্ছন্নতার জন্য পর্যাপ্ত বিল নির্ধারণ করে দেয়া হয়। রাস্তার ধুলা ও ফুটপাত পরিষ্কারের জন্য তাদের বিল ধরা আছে। তারা সেই টাকা উত্তোলনও করেন, কিন্তু তারা সেই কাজ করেন না। সময় এসেছে তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে, এভাবে চলতে পারে না, আমরা আর সহ্য করব না। এমনকি আমাদের ডিএনসিসির ঠিকাদারদের কেউ যদি পরিবেশ দূষণ রোধে ব্যবস্থা না নিয়ে নির্মাণকাজ পরিচালনা করেন, তাকেও জরিমানার আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী রোববার থেকে আমি নিজেও গাড়িতে অফিস করব, সারা দিন আমি রাস্তায় থাকব, রাস্তার কোথায় কী সমস্যা, কারা কারা কিভাবে দূষণ করছে খোঁজ নেব এবং আমার সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটরা থাকবে, যেখানেই অনিয়ম, অপরিচ্ছন্ন, রাস্তায় ধুলা-বালি পাওয়া যাবে সেখানেই আমরা জরিমানা করব।

কর্মদক্ষতা বাড়ানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, আপনারা জানেন আমরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন যান্ত্রিক পদ্ধতিতে রোড সুইপারের সাহায্যে রাস্তা ঝাড়ু, ও জেট অ্যান্ড সাকারের সাহায্যে ড্রেন পরিষ্কার করে যাচ্ছি। আমরা আগামী জুনের মধ্যে আরও ৬ টি সুইপার গাড়ি সংগ্রহ করতে যাচ্ছি। আমরা প্রাইমারি, সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি ৩ ধরনের রাস্তার জন্য ৩ ধরনের গাড়ি কিনব, যাতে ছোট ও অপ্রশস্ত রাস্তাও পরিষ্কার করা যায়। একই সঙ্গে বাতাসের ধুলা কমিয়ে নির্মল বায়ু নিশ্চিত করার জন্য আমরা মিস্ট স্প্রে করার সুবিধা থাকে এমন গাড়ি সংগ্রহ করছি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নগরীতে ধুলাবালির বর্তমান অবস্থায় আমরা উদ্বিগ্ন। বিশ্বের সব দেশেই কনস্ট্রাকশন কাজ হয়, কিন্তু বাংলাদেশের মতো এমন অবস্থা থাকে না। সবাইকে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ দূষণ রোধে বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ ও করণীয় নির্ধারণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ