মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ।। ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
উম্মুল কুরা মহিলা মাদরাসার পরিচালকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন  প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে মাওলানা ইসলামাবাদী-ইকরামের নেতৃত্বাধীন জমিয়ত ‘তাহাফ্ফুজে ফিকরে আকাবির’ মহাসম্মেলন ৬ আগস্ট, প্রধান অতিথি দেওবন্দের মুহতামিম এই বাংলাদেশ দেখার জন্য বুলেটের সামনে দাঁড়াইনি: শায়খে চরমোনাই ‘হিজবুল বাহারের জাকাত’ নামে ধর্মীয় অনুষ্ঠান শরিয়তসম্মত নয়: মারকাযুদ দাওয়াহ কেন প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ বর্জন, কী বলছে জমিয়ত নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম মসজিদ পরিদর্শনে রাবেতা মহাসচিব জাকাত বোর্ডকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নতুন রাজনৈতিক প্রধান বেছে নিলো হামাস ‘চলো সংসদ’ ঘিরে উত্তাল দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট

মোশাররফের মৃত্যুদণ্ড: বিচারকের নামে অভিযোগ করবেন ইমরান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল (অব.) পারভেজ মুশাররফের মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির বিশেষ আদালত। এরই মধ্যে সাবেক এই পাক প্রেসিডেন্টকে নিয়ে লেখা রায়ে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তাকে ‘ঘৃণ্য’ বলে উল্লেখ করেছে ইমরান খান সরকার।

সিনিয়র বিচারকের নেতৃত্বে মুশাররফকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং রায় লেখা হয়েছে, তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ করতে যাচ্ছে তারা। সিনিয়র বিচারক ওয়াকার আহমেদ শেঠের ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ রয়েছে।

তিনি লিখেছেন, ‘মুশাররফকে যত দ্রুত সম্ভব আটকের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যবস্থা নিতে হবে। আর যদি তাকে জীবিত অবস্থায় গ্রেফতার করা না যায়, সেক্ষেত্রে মরদেহ পার্লামেন্ট ভবন চত্বরে টেনে এনে সেখানেই তিন দিন ঝুলিয়ে রাখতে হবে।’

দ্যা ডন জানায়, সাবেক পাক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশাররফ বর্তমানে দুবাইতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। বিচার চলাকালে আদালত তাকে হাজির হওয়ার জন্য বারংবার সমন জারি করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি আর আসেননি।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। তাদের বিশেষ এই বৈঠকের পর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রায় প্রদানকারী বিচারকের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে অভিযোগ জানানো হবে।

অপর দিকে দেশটির কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রী ফারোগ নাসিম এক বিবৃতিতে বলেছেন, রায়ের এই পর্যবেক্ষণ আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত ও ঘৃণ্য। এর মাধ্যমে পাকিস্তানকে এক অন্ধকার যুগে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আদালতের রায়ে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার কখনোই কাম্য নয়।

বিশ্লেষকরা জানায় ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাক প্রেসিডেন্টের পদে ছিলেন পারভেজ মুশাররফ। দেশে জরুরি অবস্থা জারি, অনৈতিকভাবে বিচারপতি বরখাস্ত, বেনজির ভুট্টোকে হত্যা ও লাল মসজিদে তল্লাশি অভিযানসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগের মামলায় বর্তমানে পলাতক রয়েছেন সাবেক এই পাক সেনাপ্রধান।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ৩ নভেম্বর অযথাই পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারির অভিযোগে দেশটির বিশেষ আদালতে মুশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা হয়। ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে বিতর্কিত এই মামলাটির রায় আদালতে ঝুলে ছিল।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ