সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

মেলায় বিক্রি হচ্ছে কবরের জমি, দেড় লাখে অস্থায়ী সাড়ে ৩ লাখে স্থায়ী কবর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাঁচ দিনব্যাপী চলছে শীতকালীন রিহ্যাব ফেয়ার-২০১৯। মৃত্যুর পর লাশ দাফনের জন্য কবরের জমি বিক্রি হচ্ছে এ মেলায়। দেড় থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকায় মিলছে স্থায়ী ও অস্থায়ী কবরের জমি।

এমআইএস হোল্ডিংস নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ উদ্যোগ নিয়েছেন। উদ্যোক্তরা বলছেন, মৃত্যুর পরের ঠিকানা নিয়ে যেন সমস্যায় পড়তে না হয় এ বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যতিক্রম এ উদ্যোগ নিয়েছে তারা।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, পূর্বাচল রাওজাতুল জান্নাত প্রকল্পের আওতায় কবরের জমি বিক্রি করা হচ্ছে। প্রায় ২০০ বিঘা জমির উপর এ প্রকল্পের কাজ চলছে। এর সঙ্গে কবরস্থানসহ মসজিদ-মাদরাসা, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্থায়ী কবরের মূল্য ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে ২০ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ রয়েছে। সব মিলিয়ে একটি স্থায়ী কবর কিনতে লাগবে সাড়ে তিন লাখ টাকা। যিনি স্থায়ী কবরের জন্য জমি কিনবেন তাকে সাব-কাবলা রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে। এই জমি আর কাউকে দেওয়া হবে না।

আর অস্থায়ী কবর হচ্ছে ১০ ও ২০ বছর মেয়াদি। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের পর এসব কবর আবারও ব্যবহার করা হবে। ২০ বছর মেয়াদি কবরের মূল্য সার্ভিস চার্জসহ ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি কবরের মূল্য এক লাখ ৩০ হাজার টাকা।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে শুধু কবরস্থান করা হবে, তা নয়। এখানে মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম করা হচ্ছে। কবরের জায়গা বুকিং দিচ্ছে সেই টাকার একটি অংশ দিয়ে এসব করা হবে। অর্থাৎ গ্রহক কবর কিনলে মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম স্থাপনের অংশীদার হবেন।

মোজাম্মেল হোসেন আরো জানান, কবর বুকিং দেওয়া ব্যক্তি মারা গেলে তার স্বজনরা আমাদের জানানোর সঙ্গে সঙ্গে মরদেহ সম্পর্কিত সব আনুষ্ঠানিকতা আমরা নিজেরাই করব। মরদেহের গোসল করানো, জানাজা ও দোয়াসহ দাফন সব কিছু আমরাই করবো। এছাড়া সার্বক্ষণিক কবর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।

রাওজাতুল জান্নাতের উদ্যোক্তা বলেন, এখন জমির সংকট। শহরে কবরের জমি স্থায়ীভাবে পাওয়া যায় না। কবরস্থানে একজনকে কবর দেয়ার কয়েক মাস পর ওই কবরেই আরেকজনের মরদেহ দাফন করা হয়। তাই যারা দীর্ঘদিন বা স্থায়ী কবরের সঙ্গী হতে চান তারা এখানে জমি কিনতে পারেন। পাশাপাশি সেবামূলক কাজের অংশীদার হতে পারবেন বলে জানান তিনি।

আরএম/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ