মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

হয়ে গেল মাকতাবাতুল আসলাফের মনোমুগ্ধকর লেখক আড্ডা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মদ ।।

দেশে এই মুহূর্তে অন্যতম জনপ্রিয় প্রকাশনা সংস্থা ‘মাকতাবাতুল আসলাফ’। ইসলামি বই পাঠকদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিনিয়তই নানা ধরনের সৃষ্টিশীল উদ্যোগ নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে কাঠেরপুলের ড্রিম টুয়েন্টি রেস্টুরেন্টে প্রতিষ্ঠানটি মনোমুগ্ধকর লেখক আড্ডার আয়োজন করেছিল।

আড্ডার মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘ইসলামি বই ভাবনা’। এছাড়াও ছিল মাকতাবাতুল আসলাফের লেখক, অনুবাদক এবং সম্পাদকদের মধ্যে মত-বিনিময় পর্ব। লেখক-অনুবাদকের মধ্যে আন্তরিকতা তৈরি ও ইসলামি বইয়ের জগতকে সমৃদ্ধ করার প্রয়াসে এই প্রথম এমন আয়োজন করল প্রতিষ্ঠানটি।

আড্ডার শুরুতেই দেশের ইসলামপ্রিয় মানুষের কাছে সৃজনশীল ইসলামি বই ছড়িয়ে দেওয়ার প্ল্যাটফর্ম ‘মাকতাবাতুল আসলাফ’-এর প্রকাশক আব্দুর রহমান মুয়াজ ও সাজ্জাদ হোসেন রাকিব আলোচনা করেন ইসলামি বইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

বাংলাদেশের ইসলামি বইয়ের পাঠকদের চাহিদা এবং লেখক, অনুবাদক ও প্রকাশকদের দায়িত্ব কেমন হতে পারে সেটাই ছিল তাদের বক্তব্যের মূল বিষয়। পাশাপাশি মাকতাবাতুল আসলাফের ভবিষ্যত নানা পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তারা। ইসলামি বই ও প্রকাশনা শিল্পের আরো কিছু ভাবনা জানান মাকতাবাতুল আসলাফের ভাষা সম্পাদক কবি নেসারুদ্দিন রুম্মান।

এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাকতাবাতুল আসলাফের সম্পাদক ও কিং সৌদ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত স্বপ্নচারী লেখক একাধিক আরবী গ্রন্থের রচয়িতা মিজান হারুন। লেখালেখি ও অনুবাদের খুঁটিনাটি চমৎকারভাবে উঠে আসে তার বক্তৃতায়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লেখক ও অনুবাদক কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক, মাওলানা আহমদ ইউসুফ, মাওলানা রিফাত মাহমুদ, আবদুল্লাহ আল মাসউদ, জুবায়ের মহিউদ্দিন, মাসুদ শরীফ, সাংবাদিক রকিব মুহাম্মদ প্রমুখ।

সকলের কণ্ঠে ছিলো মাকতাবাতুল আসলাফের প্রশংসা। আলোচনায় সকলেই পরামর্শ দিয়েছেন কীভাবে আরো দায়িত্বশীলতার সাথে ইসলামি বই উপস্থাপন করতে হবে এই নিয়ে।

অতিথিদের বক্তব্য শেষে তাদের সবাইকে নিয়ে ছিলো ইসলামি বইয়ের কন্টেন্ট ডিসকাশন। পাঠকমহল ইসলামি বইকে কীভাবে মূল্যয়ন করে, এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু, কীভাবে বইয়ের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে বাড়ছে প্রতিনিয়ত- ইত্যাদি বিষয় নিয়েই এই পর্বে আলোচনা হয়।

লেখক-অনুবাদকদের অংশগ্রহণে প্রশ্ন-উত্তর পর্বও ছিলো আলোচনার শেষে। যেখানে মাকতাবাতুল আসলাফের ভবিষ্যত পরিকল্পনা, কন্টেন্ট নির্বাচন এইসব ব্যাপারে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন অতিথিরা।

দেশের জনপ্রিয়তম প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাকতাবাতুল আসলাফের কাজের পরিধি এবং গুণগত মান প্রতিনিয়তই আরও সমৃদ্ধ হবে, অতিথিদের এমন আশাবাদ ব্যক্ত করার মধ্য দিয়েই শেষ হয় 'মাকতাবাতুল আসলাফের লেখক আড্ডা'।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ