মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬ প্রবাসীদের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী শায়খ আব্দুস সাত্তার: বীর মুজাহিদিনের প্রতিচ্ছবি

'সিএএ হিন্দু-মুসলিম উভয়ের ক্ষতি করবে', যুক্তি দিলেন কেজরিওয়াল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়েরই ক্ষতি করবে বলে মন্তব্য করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

সিএএ’র তীব্র সমালোচনা করে তিনি দাবি করেছেন, দেশের অর্থনীতি নিম্নগামী, সন্তানদের জন্য বাসস্থান নেই, চাকরি নেই। এর মধ্যে এই আইনের কোনও দরকার ছিল না। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে সম্প্রচারমাধ্যম এনডটিভি।

কেজরিওয়াল বলেছেন, পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দুদের দিকে মনোনিবেশ দেওয়ার পরিবর্তে প্রথমে নিজ দেশে সরকারের দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

সিএএ’র বিরোধিতা করে সম্প্রতি কেরালা রাজ্যের বিধানসভায় প্রস্তাব পাস হয়েছে। এ প্রসঙ্গে এই নেতা বলেন, ‘বিধানসভায় এটা পাস হওয়া বা বাতিল হওয়ার কোনও মানে হয় না। এটি সারাদেশে ও পার্লামেন্টে বাতিল হতে হবে। আমি যদি বিধানসভায় বিলটি বাতিল করি তাহলে কি আইনটি স্থগিত হবে? পার্লামেন্টকে এটি বাতিল করতে হবে।’

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানের হিন্দুদের প্রতি এতো ভালবাসা, আর ভারতীয় হিন্দুদের প্রতি কি অবস্থা? আমি এটার মানে বুঝি না। দেশের অর্থনীতি নিম্নগামী, আমাদের সন্তানদের জন্য চাকরি নেই, বাসস্থান নেই। আর তারা পাকিস্তানের দুই কোটি হিন্দু পাওয়ার জন্য পরিকল্পনা করছেন। প্রথমে আমাদের নিজ দেশের প্রতি মনোনিবেশ করুন। তাহলেই আমরা সবকিছুই পাবো।’

কেজরিওয়াল বলেছেন, ‘এই আইনের ফলে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আইনটি হিন্দু-মুসলিম উভয়কে বঞ্চিত করবে।’

বিতর্কিত এই আইনে প্রতিবেশী বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে নিপীড়িত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, জৈন, পার্সি ধর্মাবলম্বীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ