আবুল কাশেম অফিক: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সিলেট মহানগর ও জেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন ও বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে নগরীর কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে বিশাল এ কর্মী সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়।
খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশিদের যেভাবে পাখির মত গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে তা কোনভাবে মেনে নেয়া যায় না। একটি প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্রের আচরণ এমন হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, বিগত ২৩ দিনে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক। বিএসএফ সীমান্তে মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরতা চালিয়ে আমাদের বাংলাদেশিদের হত্যা করছে প্রতিনিয়ত। এজন্য বাংলাদেশ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতিই দায়ী।
আমিরে মজলিস বলেন, অবিলম্বে সীমান্তে সংঘটিত সকল হত্যা বন্ধ এবং সংঘটিত ঘটনাগুলোর সুষ্ঠ বিচার কার্যকর করে ভারত তাদের জায়গা থেকে বন্ধুরাষ্ট্রের পরিচয় দিতে হবে।
বাংলাদেশ সরকারকে সীমান্তে এই নিষ্ঠুরতা বন্ধের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার উদাত্ত আহবান জানান তিনি। সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর সভাপতি আফজাল হুসাইন কামিলের সভাপতিত্বে কর্মী সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনসুরুল আলম মনসুর।
তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস প্রতিরোধে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজ শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। তিনি বলেন ছাত্রলীগের অব্যাহত সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধে ছাত্র সমাজ সোচ্চার হতে হবে।
কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও সিলেট পূর্ব জেলা সভাপতি মুহাম্মদ জারির হুসাইন ও সিলেট পশ্চিম জেলা সভাপতি মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য- রাখেন খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির ভাষাসৈনিক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাসঊদ খান, প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা মুহাম্মদ মজদুদ্দীন আহমদ, ছাত্র মজলিসের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন সাদী, মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ হুজায়ফা।