আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম ধাপ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। ডেমোক্রেটিক ভোটাররা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কে লড়বেন সেই প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য ভোট দেবেন। ভোট হবে রিপাবলিকান প্রার্থী বাছাইয়েরও। যদিও রিপাবলিকান দল থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পই মনোনয়ন পাবেন বলেই ধারণা।
ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের পাবার জন্য ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে প্রাথমিক ভোটে জিতলেই প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনয়ন পাবেন কেউ, এমন গ্যারান্টি নেই। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রার্থীরা আইওয়াতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাইমারি ভোট সব সময় আইওয়া থেকেই শুরু হয়। জুনের প্রথমার্ধ পর্যন্ত চলবে এই প্রাইমারি সিলেকশন প্রক্রিয়া। সামনের নিউ হ্যাম্পশায়ারে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় প্রাইমারি।
এখনো পর্যন্ত পাওয়া জরিপে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, আইওয়াতে বার্নি স্যান্ডার্সের জনপ্রিয়তা বহাল থাকবে এবং রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম সবার চোখ তার দিকেই থাকবে। সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রয়েছেন জনপ্রিয়তার বিচারে দ্বিতীয় অবস্থানে।
এদিকে চার বছর আগে হিলারি ক্লিনটনের কাছে হেরে যাবার পর ৭৮ বছর বয়সী স্যান্ডার্সের এবারের প্রস্তুতি বেশ ভালো। নির্বাচনের জন্য বড়সড় তহবিল পেয়েছেন তিনি এবং তার প্রচারণার জন্য শতাধিক কর্মীর একটি দল রয়েছে। কিন্তু তিনি মনোনয়ন পেলে মধ্যপন্থী ডেমোক্রেটরা কি নিজেকে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট দাবি করা একজন প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইতে নামবেন?
এলিজাবেথ ওয়ারেন, অ্যামি ক্লোবাশার এবং পিট বুডিজেজের মতো হেভিওয়েট অপর প্রার্থীরা অবশ্য আশা করে আছেন, মনোনয়নের জন্য স্যান্ডার্স প্রয়োজনীয় সমর্থন পাবেন না।
রিপাবলিকান ককাসও একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং ট্রাম্পের বিপক্ষে মাত্র দুইজন প্রার্থী রয়েছেন। কিন্তু দলে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এমনই যে, আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রার্থিতা ঘোষণা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
২০১৬ সালে ডেমোক্রেটদের কী ভুল হয়েছিল, তার একটি ধারণা সম্ভবত এই আইওয়াতেই পাওয়া যাবে। সর্বশেষ নির্বাচনে ২০০ এরও বেশি মার্কিন কাউন্টি অর্থাৎ দেশটির প্রাদেশিক শহর যারা সে সময়কার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছিলেন, এর মধ্যে ৩১টি কাউন্টি আইওয়াতেই। এরা সবাই ২০১২ সালে ওবামাকে সমর্থন দিয়েছিলেন।
ডেমোক্রেটরা আশা করছে, ঐস