বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

নির্বাচনে বিরোধিতাকারীদের ব্যাপারে খোঁজ নিতে শেখ হাসিনার নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সদ্যসমাপ্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরোধিতাকারীদের বিষয়ে খোঁজ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেলকে এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে তিনি নির্দেশ দেন।

দলটির একটি বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সমর্থিত বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থী এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন। এরই প্রেক্ষিতে এই তিন কেন্দ্রীয় নেতাকে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দলীয় সভাপতি বেশ কিছু দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে এগুলো দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’

জানা যায়, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থী অভিযোগ করে বলেছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং দলের কিছু নেতার বিরোধিতা ও অসহযোগিতার কারণে তারা হেরেছেন। কয়েকজন পরাজিত প্রার্থী দাবি করছেন, তাদের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে হারানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। বলা হয়েছিল, যারা এর বিরোধিতা করে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার পরও ৭৭টি ওয়ার্ডে ১১৫ জন বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে ২৫ জনেরও বেশি বিজয়ী হন।

-এটি