বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

এমপিওভুক্তিতে ঘুষ গ্রহণ ও প্রদান সহ্য করা হবে না: দুদক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিওভুক্তি কার্যক্রমে কোনো প্রকার হয়রানি, ঘুষ ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ ক্ষেত্রে কেউ ঘুষ গ্রহণ ও প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হবে।

মঙ্গলবার দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুদকে আসা বিভিন্ন অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে কোনো কোনো উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস এবং আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসসমূহের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করছেন। আর ইতিমধ্যে কমিশনের গোয়েন্দা অনুবিভাগ এসব অভিযোগ কমিশনকে অবহিত করেছে।

এ প্রেক্ষাপটে ইকবাল মাহমুদ দুদকের গোয়েন্দা অনুবিভাগ, সকল সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা) এবং বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক এক বার্তায় নির্দেশনা দিয়েছেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেছেন, শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিকরণে কোনো প্রকার দুর্নীতি-অনিয়ম-হয়রানি কমিশন সহ্য করবে না। দুদকের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ এই এমপিওভুক্তিকরণ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে নজরদারি করবেন।

তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই কোনো অযোগ্য শিক্ষক যেন ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হতে না পারেন। আবার কোনো যোগ্য শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী যাচাই-বাছাইয়ের নামে ঘুষ গ্রহণ করার সুযোগও যেন না পায়।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, এ কার্যক্রম এমনভাবে মনিটরিং করতে হবে, যাতে কারো পক্ষে ঘুষ দেয়া এবং ঘুষ নেয়ার সুযোগ না থাকে। প্রয়োজনে ফাঁদ মামলা পরিচালনা করে অপরাধীদের আইন-আমলে নিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে ঘুষ নেয়া যেমন ফৌজদারি অপরাধ, তেমনি ঘুষ দেয়াও একই জাতীয় (সমান) অপরাধ। এ অপরাধে যারাই সম্পৃক্ত হবেন তাদেরকে আইনের মুখোমুখি করা হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ