বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৭ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩ শাবান ১৪৪৭


ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন তথ্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মরণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় গবেষকরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এর ভ্যাকসিন আবিষ্কারের লক্ষ্যে।

অনেক গবেষক দাবি করছেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে করোনার প্রতিষেধক। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, ২০২১ সালের শেষ নাগাদ ছাড়া কোনো খুশির খবর মিলবে না।

ভয়ঙ্কর এই ভাইরাসটির কারণে সৃষ্ট মহামারি কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। আজ শনিবার পর্যন্ত সর্বমোট ৪০ লাখ ২৭ হাজার ৬০ জন মানুষের দেহে এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। মারা গেছে দুই লাখ ৭৬ হাজার ৩৮৬ জন। এই পরিস্থিতি একমাত্র নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের মাধ্যমেই।

এই কারণে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো গবেষণার পেছনে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করছে। সেইসঙ্গে ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোতেও সরকার থেকে অর্থায়ন বেড়ে গেছে।

বিভিন্ন স্থানে গবেষণা অনেকটা এগিয়েও গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বড় তিনটি ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি ইনোভিও, মডার্না ও পিফিজার তাদের ভ্যাকসিন মানবদেহে প্রয়োগ করেছে। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকরাও তাদের তৈরিকৃত নমুনা মানবদেহে প্রয়োগ করেছে। দেশটির সরকার দাবি করছে, সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের মধ্যেই ভাইরাসের ভ্যাকসিন তারা উৎপাদন করতে পারবে।

এসব গবেষণা বেশ অগ্রগতি পেলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল আউটব্রেক সতর্কতা এবং প্রতিক্রিয়া নেটওয়ার্ক কর্মকর্তা ডেল ফিসার মনে করেন, ২০২১ সালের শেষে আসবে এই ভ্যাকসিন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, আগামী বছরের শেষে করোনাভাইরাসের একটি ভ্যাকসিনের কথা আশা করাটা যৌক্তিক। মানুষের আকাঙ্ক্ষার সীমা একটু কমিয়া আনা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, যেসব ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা হচ্ছে তা মাত্র প্রথম ধাপে আছে। আপনাদের ভুলে গেলে চলবে না গবেষণার অনেকগুলো ধাপ আছে। প্রত্যেকটি গবেষণাকে পরবর্তী ধাপ অতিক্রম করে সফলতা পেতে হবে। এ ছাড়া একটি ভ্যাকসিন পাওয়া গেলেও এর উৎপাদন ও সরবরাহ করতে সময় প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ