বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি চিকিৎসা শেষে আজ দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস ‘ক্যানসারের কঠিন সময়ে সুরা আর-রহমানই জুগিয়েছে মানসিক শক্তি’ ময়মনসিংহে সীরাতকেন্দ্রের ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ শুক্রবার নেতাকর্মীদের অন্যায়-অবিচার না করার শপথ ধর্মমন্ত্রীর ৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান ‘জনরোষ সৃষ্টি হওয়ার আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’ জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎

সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতে নির্দেশনা চেয়ে রিট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনাকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে দেশের সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সাধারণ রোগীদের (নন-কোভিড রোগীদের) চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে। একইসঙ্গে রোগীদের চিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতাল থেকে ফেরত দেয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী এই রিট আবেদন দায়ের করেন।

আইনজীবীরা হলেন- অ্যাডভোকেট এএম জামিউল হক ফয়সাল, মুহা. নাজমুল হুদা, মোহাম্মাদ মেহেদী হাসান এবং ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান।

রিটে স্বাস্থ্য সচিব, অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল) এবং উপ-সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে করোনা বা অন্যান্য রোগের উপসর্গ নিয়ে দেশের সরকার-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক ঘুরে ঘুরে মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে। একারণে দেশের সকল হাসপাতাল ও ক্লিনিকে আগত রোগীদের ফেরত না পাঠিয়ে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে গত ১১ মে নির্দেশনা জারি করেছে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওই নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে। কিন্তু সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক সাধারণ রোগীদের করোনা সার্টিফিকেট ছাড়া ভর্তি নিচ্ছে না।

রিট আবেদনে আরও বলা হয়েছে, একটি করোনা টেস্ট করাতে রোগীর জন্য ৪/৫ দিন সময় লাগতে পারে। অথচ গুরুতর অসুস্থ রোগীর ক্ষেত্রে টেস্ট করানো এবং সে রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাটা অসম্ভব। করোনা টেস্টের রিপোর্ট ছাড়া ভর্তি না করায় প্রতিদিনই একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। বিনা চিকিৎসায় চিকিৎসকরাও মারা যাচ্ছেন। এ ধরণের মৃত্যুর ঘটনা দেশের সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসছে। সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আদালতের নির্দেশনা প্রয়োজন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ