বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

কোরবানির চামড়ার মূল্য নূন্যতম ২হাজার টাকা করার দাবি ইত্তেফাকুল মুসলিমীনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির ও ইত্তেফাকুল মুসলিমীন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেন, বিভিন্ন দেশে চামড়ার মূল্য আগের মত থাকলেও বিগত কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশে চামড়া ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চামড়ার দাম কমিয়ে চামড়া শিল্পকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে। অথচ চামড়ার তৈরিকৃত সকল জিনিস পত্রের দাম জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০০/৩০০০ টাকার চামড়া গত কুরবানীতে ২০০/৩০০ টাকা দামে বিক্রি করতে হয়েছে। যার কারণে গত কুরবানীতে অনেকেই চামড়া বিক্রি না করে ফেলে দেয়া এবং মাটির নিচে পুতে রাখার দৃশ্য জাতীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার চামড়ার ন্যায্যমূল্যের দাবিতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ইত্তেফাকুল মুসলিমীনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কুরবানির পশুর চামড়া এতিম ও গরিবের হক। চামড়ার দাম কমানোর মাধ্যমে এতিম-গরিবের অধিকার নষ্ট করা হচ্ছে। বাংলাদেশের কওমি মাদরাসা ও এতিমখানাগুলো জনগণের দানে পরিচালিত। কোরবানির পশুর চামড়া মাদরাসার আয়ের বড় উৎস। মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকগণ ঈদের আনন্দ ত্যাগ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চামড়া সংগ্রহ করে মাদরাসার লিল্লাহ বোর্ডিং সচল রেখেছেন। চামড়া ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চামড়া মূল্য কমিয়ে গরিবের হক্ব নষ্ট করছে তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে। তিনি এবারের কোরবানির চামড়ার মূল্য নূন্যতম ২০০০/= টাকা নির্ধারন করে দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে কওমি মাদরাসার হিফজুল কুরআন বিভাগ খুলে দেয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা আশা করি এভাবে অচিরেই কুরআন-হাদিসের শিক্ষাকেন্দ্র সকল কওমি মাদরাসা খুলে দেয়ার ঘোষণা দিবেন। মাদরাসা বন্ধ থাকলে কোরবানিদাতারা চরম দূর্ভোগে পরবেন। অন্য দিকে মাদরাসাগুলোও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই দেশের জনগণের স্বার্থে অবিলম্বে সকল কওমী মাদরাসা খুলে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের মহাসচিব মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মুজীবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা এনামুল হক মূসা, মুফতি সুলতান মহিউদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন, প্রচার সম্পাদক মুফতি আব্দুল্লাহ ইদরীস, সবার খবর সম্পাদক মাওলানা আব্দুল গাফফার ও খিদমাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী প্রমুখ।

ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ না হলে ইত্তেফাকুল মুসলিমীন বাংলাদেশ বিশিষ্ট আলেম-উলামা, দ্বীনদার বুদ্ধিজীবিদের সঙ্গে মতবিনিময়, মানববন্ধন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপির কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ