বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ।। ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার কওমি মাদরাসা: ইসলামি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিশ্বস্ত প্রহরী

প্রদীপ-লিয়াকতসহ তিন পুলিশের রিমান্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সাবেক সেনা কর্মকর্তা (মেজর) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ তিনজনকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। এ মামলায় কারাগারে পাঠানো বাকি চার পুলিশকে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) রাতে কক্সবাজারের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এ আদেশ দেন।

এর আগে কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আজিম আহমেদ সাত আসামিদের প্রত্যেককে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

শুনানি শেষে আদালত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, ইন্সপেক্ট লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। আর বাকি চারজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার পুলিশের গাড়িতে করে কঠোর নিরাপত্তায় দুই দফায় ওই ওসিসহ সাতজনকে আদালতে তোলা হয়। বিকাল সোয়া ৪টায় প্রথমে মামলার প্রধান আসামি লিয়াকত আলীসহ ছয় জনকে আদালতে তোলা হয়। পরে কঠোর পুলিশি পাহারায় চট্টগ্রাম থেকে এনে বিকাল ৫টায় তোলা হয় নানা অপকর্মের হুতা ওসি প্রদীপকে। পরে আদালত দুই দফা শুনানি শেষে হত্যা মামলার ৭ আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এরপরই র‌্যাব কর্মকর্তা আসামি সাতজনকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করলে আবার শুনানি শুরু হয়।

জেলগেটে যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, তারা হলেন- মামলার এজাহারভুক্ত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া। এ ছাড়া মামলার আরও দুই আসামি এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোস্তফা পলাতক রয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার পুলিশের গাড়িতে করে কঠোর নিরাপত্তায় দুই দফায় ওই ওসিসহ সাতজনকে আদালতে তোলা হয়। বিকাল সোয়া ৪টায় প্রথমে মামলার প্রধান আসামি লিয়াকত আলীসহ ৬ জনকে আদালতে তোলা হয়। পরে কঠোর পুলিশি পাহারায় চট্টগ্রাম থেকে এনে বিকাল ৫টায় তোলা হয় নানা অপকর্মের হুতা ওসি প্রদীপকে। পরে আদালত দুই দফা শুনানি শেষে হত্যা মামলার ৭ আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এরপরই র‌্যাব কর্মকর্তা আসামি সাতজনকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করলে আবার শুনানি শুরু হয়। পুলিশ সদস্যদের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলেও তা নামঞ্জুর করে তাদের কক্সবাজার কারাগারে পাঠাতে বলেন বিচারক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ