শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’ শিশু নিপীড়ন ও আইন হাতে নেওয়া কোনোটাই গ্রহণযোগ্য নয়: হেফাজত মাগরিবের নামাজে ইমামতিকালে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু জুমা শেষ হতেই আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে গেল ইসরায়েলি পুলিশ ঈমানের মাধুর্যেই মেলে অন্তরের প্রশান্তি: শাইখ সালেহ বিন হুমাইদ পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা জোরদার ও সশস্ত্র তৎপরতা বন্ধের দাবি বাড়িতে মাদরাসা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই গাছচাপায় ইমামের মৃত্যু পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মক্কাসহ চার শহরে সতর্কতা জারি সৌদির  সাদপন্থীরা আর কখনও টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না: মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী

যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি: বিক্ষোভ-সংঘর্ষে নিহত ২

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ জ্যাকব ব্লেকের ওপর পুলিশের গুলির ঘটনায় উত্তাল উইসকনসিন অঙ্গরাজ্য। তিন ধরে টানা বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে দুজনের প্রাণহানি ঘটেছে। বিবিসি জানায়, উইসকনসিনের কেনোশা শহরে রবিবার বিকেলে জ্যাকব ব্লেক নামে ওই কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি করে মার্কিন পুলিশ।

তিন সন্তানের সামনেই নিরস্ত্র ২৯ বছর বয়সী ব্লেককে নৃশংসভাবে গুলি করা হয়। প্রকাশ্যে আসা ভিডিওতে দেখা গেছে, গাড়িতে উঠার সময় ব্লেকের জামা টেনে ধরে একেবারে কাছ থেকে পুলিশ তাকে গুলি করে। সাতটি গুলির আওয়াজ শোনা যায় ভিডিওটিতে। গুরুতর আহত ব্লেককে পুলিশই হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, তিনি আর কখনো হাঁটতে পারবেন না।

এ ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে কোনাশাবাসীরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ভাঙচুর, আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। সোমবার সকাল পর্যন্ত কারফিউ জারি করেও বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। মঙ্গলবার শহরটিতে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন আরও বড় আকার ধারণ করে।

এদিন রাতে গুলিতে দুই বিক্ষোভকারী নিহত হন এবং আহত হন একজন। তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা স্বীকার করেছে পুলিশ। তবে কারা গুলি চালিয়েছে এ ব্যাপারে নিশ্চিত কিছু জানায়নি তারা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, বিক্ষোভ সহিংস রূপ ধারণ করলে দোকানপাট, গাড়ি ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে। এতে পেট্রোল পাম্প পাহারা দেয়া সশস্ত্র লোকদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

এখন পর্যন্ত গোটা বারো সরকারি ভবনে আগুন ধরানো হয়। ন্যাশনাল গার্ডের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। প্রচুর দোকানে ভাঙচুর করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস, নিউ ইয়র্ক, মিনেপোলিসেও বিক্ষোভ হয়েছে।

গভর্নর টনি এভারস জরুরি অবস্থা জারি করে বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার অনুরোধ করেন। ন্যাশনাল গার্ডের সংখ্যাও দ্বিগুণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা কিছুতেই এই বর্ণবাদ ও অন্যায় বরদাস্ত করতে পারি না। কিন্তু একইসঙ্গে এই ধ্বংস ও ক্ষতির পথও সমর্থন করতে পারি না।

এদিকে সহিংস বিক্ষোভ থেকে শহরবাসীকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে ব্লেকের পরিবার। তারা গভর্নর এভারস ও পুলিশ প্রধানের সঙ্গে দেখা করে অবিলম্বে দুই পুলিশ অফিসারকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। পরিবারটির আইনজীবী জানিয়েছেন, তিনি শিগগিরই ওই দুই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ