শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’ শিশু নিপীড়ন ও আইন হাতে নেওয়া কোনোটাই গ্রহণযোগ্য নয়: হেফাজত

সিনহা হত্যা মামলা: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন লিয়াকত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ বহিষ্কৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলী।

আজ রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে তাকে তোলা হয়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জবানবন্দি গ্রহণ শেষ হয়। প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা জবানবন্দি গ্রহণ শেষে লিয়াকত আলীকে জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাবের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের একদিন পরই লিয়াকত আলীকে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে আদালতে তুলে র‌্যাব।

গত শুক্রবার তৃতীয় দফায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই লিয়াকত আলী, এএসআই নন্দদুলাল রক্ষিতের তৃতীয়বারের মতো তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

তৃতীয় দফায় তিনের রিমান্ড মঞ্জুরের একদিন পরই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য বরখাস্ত এসআই লিয়াকত আলীকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয়।

এর আগে ২৬ আগস্ট এপিবিএন সদস্য মো. আবদুল্লাহর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে তিনি জানান, ঘটনার দিন মনে হয়েছে ইন্সপেক্টর লিয়াকত শিকারের জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি মারিশবুনিয়ার একটি পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ির নীলিমা রিসোর্টে ফিরছিলেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ক্যামেরাম্যান সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে আটক করে পুলিশ। পরে নীলিমা রিসোর্ট থেকে শিপ্রা দেবনাথকে আটক করা হয়।

দুজনই এখন জামিনে মুক্ত। খুনের ঘটনায় গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মো. রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে ৯ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় এ পর্যন্ত ১৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জন পুলিশ সদস্য ও ৩ জন এপিবিএন সদস্য। বাকি ৩ জন পুলিশের মামলার সাক্ষী।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ