শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’ শিশু নিপীড়ন ও আইন হাতে নেওয়া কোনোটাই গ্রহণযোগ্য নয়: হেফাজত

লাদাখে ফের উত্তেজনা, পতাকা বৈঠকে ভারত-চীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারত নিয়ন্ত্রিত পূর্ব লাদাখে চীনের সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের সংঘর্ষের পর বেশ কিছু দিন ধরে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। ভারত ও চীনের মধ্যে পতাকা বৈঠক চলছে।

আজ সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ কথা জানায় দেশটির গণমাধ্যম আনন্দবাজার।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা কর্নেল আমন আনন্দ বলেন, ‘সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে পূর্ব লাদাখে সংঘাত পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে যে ঐকমত্যে পৌঁছনো গিয়েছিল, ২৯-৩০ আগস্ট রাতে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তা লঙ্ঘন করেছে। স্থিতাবস্থা নষ্ট করতে সেখানে প্ররোচণামূলক সামরিক পদক্ষেপ করেছে তারা।’

চীনের পক্ষ থেকে ঠিক কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা সঠিকভাবে জানাননি কর্নেল আমন আনন্দ। তবে তিনি বলেন, ‘প্যাংগং হ্রদের দক্ষিণে চীনা বাহিনীর এই আগ্রাসন প্রতিহত করতে সক্ষম হয় ভারতীয় বাহিনী। সেখানে নিজেদের অবস্থান মজবুত করা গেছে। চীন একতরফাভাবে পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।’

লাদাখ সীমান্তে নতুন করে এই উত্তেজনার পর দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন কর্নেল আনন্দ। তিনি বলেন, ‘আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পাশাপাশি আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারতীয় সেনা। লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ে চুসুলে ব্রিগেড কমান্ডার স্তরের ফ্ল্যাগ মিটিং চলছে।’

প্যাংগং হ্রদের তীরে চীনা বাহিনীর ঘাঁটি গেড়ে বসা নিয়ে বছরের শুরুতে সীমান্তে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, এখন পর্যন্ত তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। দুই দেশের সেনার মধ্যে পাঁচ দফা বৈঠক হলেও এখন পর্যন্ত স্থানীয় সমাধানে উপনীত হতে পারেনি কোনো পক্ষই। সেই অবস্থাতেই সপ্তাহখানেক আগে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত জানিয়ে দেন যে, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে সামরিক উপায়েই চীনকে ঠেকাতে হবে। তার পরেই এই ঘটনা ঘটল।

চলতি বছরে এপ্রিল-মে মাসে লাদাখে প্রথম সংঘর্ষে জড়ায় ভারতীয় ও চীনা বাহিনী। গত ১৫ জুন পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। চীনা বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঘীরে গালওয়ান উপত্যকায় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। তাতে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান প্রাণ হারান। তবে এ বিষয়ে চীনের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ