রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুতে জামিয়া আজিজিয়া প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের শোক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জামিয়া আজিজিয়া প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ছাগলনাইয়া, ফেনীর সভাপতি মাওলানা তৈয়ব উল্লাহ নাসিম ও সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ হাবিবুল্লাহ বেলালী এক যৌথ বিবৃতিতে শায়খুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী রাহিমাহুল্লাহ'র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আল্লামা আহমদ শফী ছিলেন একজন মহীরুহ কান্ডারী। তিনি ছিলেন পুরো কওমী অঙ্গন ও বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য বটবৃক্ষ স্বরূপ। যার এক আহবানে সারা বাংলাদেশের তৌহিদী জনতা সব দলমত ভুলে গিয়ে হেফাজতে ইসলাম নামক সংগঠনের ছায়াতলে একত্রিত হয়েছিল নাস্তিকদের বিরুদ্ধে এবং রুখে দিয়েছিল বাংলার মাটিতে জেগে ওঠা নাস্তিকতার প্রবল জোয়ার।

তারা বলেন, ২০১৩ সালে আল্লামা আহমদ শফী রাহিমাহুল্লাহ'র আহবানে নাস্তিকদেরকে চট্টগ্রামের মাটিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা ও প্রতিরোধের আগ পর্যন্ত মনে হচ্ছিল যেন, নব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলিমরা দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক কিংবা সংখ্যালঘু। মূলত চট্টগ্রামের হারের পরই শাহবাগ বা নাস্তিকতার ভাইরাসজনিত জ্বর থেকে দেশ মুক্ত হওয়া শুরু হয়েছিলো। যাতে আক্রান্ত ছিল সরকার, মিডিয়া, সাধারণ মানুষ সহ সবাই। আল্লামা আহমদ শফীর আহবান ও শাপলা চত্বরের কোরবানির বিনিময়ে এই ভাইরাসের ব্যাপকতা থেকে দেশ মুক্তি পায়। আর এর পেছনে কাজ করে আল্লাহর সাহায্য ও আল্লামা আহমদ শফীর দৃঢ়চেতা মনোভাব ও হকের পক্ষে বলিষ্ঠ আহ্বান।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আল্লামা আহমদ শফী ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ। তিনি একাধারে উম্মুল মাদারিস খ্যাত দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর দীর্ঘ তিন যুগের সফল মহাপরিচালক ও কওমীর সর্বোচ্চ শিক্ষাবোর্ড হাইয়াতুল উলিয়া এবং বৃহৎ বোর্ড বেফাকুল মাদারিসেরও প্রধান। জাতি তাঁর ব্যাপকভিত্তিক এ সকল খেদমতকে কখনো ভুলতে পারবে না। আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদায় আসীন করুন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ