রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

কথা রাখেনি ভারতীয় কাস্টমস, আবারো আটকে দিলো পেঁয়াজের ট্রাক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বেনাপোল বন্দর দিয়ে রোববার (২০ আগস্ট) সকাল থেকে অন্যান্য পণ্যের স্বাভাবিক আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হলেও বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও আটকে পড়া পেঁয়াজের কোনো ট্রাক দেয়নি ভারতীয় কাস্টমস। নাটকীয়তায় সাতদিন ধরে এ পথে বন্ধ রয়েছে পেঁয়াজ আমদানি। এতে বন্দরে পচে নষ্ট হয়েছে ট্রাক ভর্তি পেঁয়াজ।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রফতানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক বলেন, আটকে থাকা পেঁয়াজ পচে নষ্ট হওয়ায় ইতোমধ্যে অনেক আমদানিকারকরা পেট্রাপোল বন্দর থেকে তাদের পেঁয়াজের ট্রাক বের করে স্থানীয় বাজারে সস্তায় বিক্রি করে দিয়েছেন।

আবার কেউ ভোমরা বন্দর খোলা থাকার খবরে সেখানে নিয়ে গেছেন। বর্তমানে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় বনগার কালিকতা পার্কিংয়ে এখনও ২০টির মতো ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে।

পেঁয়াজ আমদানিকারক হামিদ এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি সরোয়ার জনি জানান, বারবার প্রতিশ্রুতি ভাঙায় এ পথে এখন পেঁয়াজের আমদানি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাদেরকে আর বিশ্বাস করা যায় না। এখন নতুন করে আর পেঁয়াজের এলসি খুলবেন কিনা সংশয়ে পড়েছেন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ভারত বাণিজ্যিক চুক্তি লঙ্ঘন করে অনেক ব্যবসায়ীকে পথে বসাল। প্রতিবেশী বন্ধু দেশের কাছে এমন আচরণ আমরা আশা করিনি।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, যেভাবে নাটক করে পেঁয়াজের চালান আটকে রেখে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করলো তাতে ভারতের সঙ্গে পেঁয়াজের বাণিজ্য বন্ধ রাখা উচিত। সরকারের উচিত এসব খাদ্যদ্রব্য আমদানিতে বাইরের দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক মজবুত করা। যাতে ভারতের সামনে এ ধরনের কোনো সংকট তৈরি করলে বিকল্প পথ যেন খোলা থাকে।

এদিকে, পেঁয়াজ না ঢোকায় খোলা বাজারে কমেনি দাম। এখনও প্রতিকেজি ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ চাহিদা মতো কিনতে না পেরে বেকায়দায় পড়েছেন।

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা আকছির উদ্দীন মোল্লা জানান, ভারত থেকে পেঁয়াজের কোনো গেটপাশ না আসায় এ পর্যন্ত বেনাপোল বন্দরে কোনো পেঁয়াজ ঢোকেনি। ওপারে এখনও কিছু ট্রাক আটকা আছে শুনেছি। তবে ভারতীয় কাস্টমস আটকে থাকা পেঁয়াজ দিলে তা দ্রুত খালাসের জন্য কাস্টমস প্রস্তুতি রয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ