মাওলানা রিদওয়ান হাসান।।
পাকিস্তান ‘বেফাক’ থেকে রেকর্ড করা ছাত্রটি যখন বাংলাদেশে আসেন, তখনও তেমন পরিচিত হয়ে উঠেননি। তাই বলে রত্ন চিনতে ভুল করেননি উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ বুজুর্গ হাকিমুল উম্মত শাহ আশরাফ আলী থানভী রহ. এর খলিফা মুহিউস সুন্নাহ শাহ আবরারুল হক হারদুয়ী রহ.। আকাবির আসলাফের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এমনটাই বলেছেন হারদুয়ী হযরতের খলিফা প্রফেসর হামিদুর রহমান সাহেব। তিনি বলেছেন, আমরা হারদুয়ী হজরতকে খুঁজে বের করেছি। আর হারদুয়ী হজরত আল্লামা মাহমূদুল হাসানকে খুঁজে বের করেছেন।”
বলছিলাম মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান সাহেবের কথা। তিনি আশরাফ থানভী রহ. এর প্রতিষ্ঠিত ‘মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশ’-এর আমীর। বর্তমানে তিনি সারা বিশ্বের শীর্ষ ইসলামি ব্যক্তিত্ব, ইসলাহে উম্মতের অন্যতম রাহবার, জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ি ঢাকার মুহতামিম এবং গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব। তার দীনের বিভিন্ন অঙ্গনে দীর্ঘ দিনের সাধনা, অবদান ও ভূমিকার জন্য দেশবাসীর নিকট বরেণ্য ও সমাদৃত। বিশেষ করে ধর্মীয় অঙ্গনের নানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পর্যায়ের ওলামা-মাশায়েখ ও বুজুর্গানে দীনের নিকট তিনি বিশেষ সম্মান ও মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত।
এছাড়া আজ তিদনি পৌঁছে গেছেন অন্যন্য উচ্চতায়। নির্বাচিত হয়েছেন বেফাকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। বেফাকের আমেলা সদস্যদের ব্যালটবাক্সের মাধ্যমে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হোন।
নতুন প্রজন্মের ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও তলাবাদের মাঝে তিনি সর্বজন মান্য ও প্রিয় ব্যক্তিত্ব রূপে বিশেষভাবে বরিত। ‘মুহিউসসুন্নাহ’ উপাধি তাদের ভালোবাসার বিনম্র বহিঃপ্রকাশ। হারদুয়ীর হজরতের আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি ও দূরদর্শীতার ফলে তিনি আজ সমকালের নন্দিত পুরোধা। আহলে হক ওলামা হজরতের বৃহত্তর দীনি ঐক্যের প্রতীক। মূলধারার আলেম সমাজ যে চিন্তা ও কর্মসাধনার অভিন্ন উত্তরাধিকার সে হক ও হক্কানিয়াতের সমন্বিত অগ্রযাত্রার তিনি উদার ও সর্বজনগ্রাহ্য অগ্রপথিক।
মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমীরও মুহিউসসুন্নাহ রহ. এর ইলহামি নির্বাচন। অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী একটি প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘হাকিমুল উম্মত থানবী রহ. ১৩৫৮ হিজরিতে মজলিসে দাওয়াতুল হক নামে একটি সংগঠন কায়েম করেন, যার লক্ষ্য উদ্দেশ্য কর্মসূচির সার নির্যাস হলো মজলিসে দাওয়াতুল হক। হাকিমুল উম্মত থানভী রহ. এর ইন্তেকালের পর তার খোলাফাগণের মধ্যে অনেকেই একাজের আঞ্জাম দিয়েছেনà