মুহাম্মদ আল আমিন।।
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগের কথা। মুসলিম উম্মাহর চিরশত্রু ইয়াহুদীদের তৎকালীন এক নেতা ছিলো কা’ব ইবনে আশরাফ। জাতে ইয়াহুদী না হলেও নিজের হীন কর্মগুণে সে মদীনায় বসবাসরত বনু নাযীর নামক ইয়াহুদী গোত্রের নেতা বনে যায়।
প্রিয় নবি মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি চরম ঘৃণা-বিদ্বেষ তার রক্ত মাংসে মিশে ছিলো। ইয়াহুদীদের সাথে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কৌশলগত মিত্রতার চুক্তি থাকা সত্তে¡ও কুখ্যাত লোকটি মক্কার কাফেরদের সাথে মিলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত। মুসলিম নারীদের নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ কবিতা আবৃতি করত।
বিশেষত প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যাপারে জঘন্য কটূক্তি ও তাকে গালিগালাজ করা তার অভ্যাসে পরিণত হয়ে ছিলো। তার নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনÑকা’ব ইবনে আশরাফ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দিয়েছে, তাকে শায়েস্তা করার জন্য কে প্রস্তুত আছে? মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা রা. দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আপনি কি চান আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
তখন মুহাম্মদ ইবনে মাসলাম রা. বললেন, তাহলে আমাকে (আপনার ব্যাপারে কৃত্রিমভাবে বিরূপু) কিছু কথা বলার অনুমতি দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ বল। এরপর মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা রা. কা’ব ইবনে আশরাফের নিকট গিয়ে বললেন, এ লোকটি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে সাদকা চায় এবং সে আমাদেরকে বহু কষ্টে নিপতিত করেছে।
তাই (বাধ্য হয়ে) আমি আপনার নিকট কিছু ঋণের জন্য এসেছি। কা’ব ইবনে আশরাফ বলল, আল্লাহর কসম! পরবর্তীতে সে তোমাদেরকে আরোও অতিষ্ঠ করে তুলবে। মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা রা. বললেন, আমরা তো এখন তাকে অনুসরণ করছি। পরিণতি কী দাঁড়ায় তা না দেখে এখনই তার সঙ্গ পরিত্যাগ করা ভাল মনে করছিনা। এখন আমি আপনার কাছে এক ওসাক (তৎকালীন আরবে প্রচলিত পরিমাপ বিশেষ) বা দুই ওসাক খাদ্য ধার চাই।
কা’ব ইবনে আশরাফ বলল, ধারতো পেয়ে যাবে, তবে কিছু বন্ধক রাখ। মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা রা. বললেন, আপনি বন্ধক হিসেবে কী চান? সে বলল, তোমাদের স্ত্রীদেরকে বন্ধক রাখ। মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা রা. বললেন, আপনি আরবের অন্যতম সুদর্শন পু