বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি চিকিৎসা শেষে আজ দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস ‘ক্যানসারের কঠিন সময়ে সুরা আর-রহমানই জুগিয়েছে মানসিক শক্তি’ ময়মনসিংহে সীরাতকেন্দ্রের ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ শুক্রবার নেতাকর্মীদের অন্যায়-অবিচার না করার শপথ ধর্মমন্ত্রীর ৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান ‘জনরোষ সৃষ্টি হওয়ার আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’ জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎

১৭ বছরের এক যুবকের হামলায় ৮৯ জন ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু হয়েছিলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ৩৮বছর আগে ১৯৮২ সালের ১১ নভেম্বর দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে দখলদার ইহুদিবাদী সেনাদের সদর দপ্তরে এক যুবকের হামলার নিহত হয় ৮৯ জন সন্ত্রাসী ইসরাইলি সেনা। এ ছাড়াও আহত হয় ৮৬ হানাদার সেনা। তারা সবাই ছিল ইসরাইলের একই কমান্ড ইউনিটের সদস্য।

আহমাদ কাসির নামের ১৭ বছর বয়স্ক এক লেবাননি বীর যুবক হামলা চালিয়েছিলেন। দখলদার ইসরায়েলি সেনারা ১৯৮২ সালে লেবাননে আগ্রাসন চালিয়ে রাজধানী বৈরুত পর্যন্ত অগ্রসর হয় এবং গণহত্যা চালায়। হাজার হাজার বেসামরিক লেবাননি ইসরায়েলি সেনাদের গণহত্যা অভিযানে শহীদ ও আহত হয়েছিলেন। ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেথ এই হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে দায়ি করেছিল।

এ হামলা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ইসলামী গণ-প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং প্রবল প্রতিরোধের মুখে ইসরায়েলি সেনারা বৈরুত ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মুজাহিদদের হামলায় বৈরুতে মার্কিন ও ফরাসি দখলদার সেনাদের সদর দপ্তর ধ্বংস হওয়ার পর এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল। ১৯৮৩ সালের ২৩ অক্টোবর আরো এক বীরত্বপূর্ণ শাহাদত-পিয়াসী হামলা চালায় প্রতিরোধ যোদ্ধারা। সন্ত্রাস-বিরোধী এই অভিযানে নিহত হয়েছিল ২৪১ মার্কিন ও ৫৮ ফরাসি দখলদার সেনা। মার্কিন সেনারা ছাড়াও বৈরুতে অনুপ্রবেশ করেছিল ফরাসি, ব্রিটিশ ও ইতালির দখলদার বাহিনী।

লেবাননের গৃহযুদ্ধে ইসরায়েলের অনুচর খ্রিস্টান ফ্যালাঞ্জিস্ট গেরিলাদের সহায়তা দেয়ার জন্যই দেশটিতে ঢুকে পড়েছিল এইসব পশ্চিমা সেনা। দক্ষিণ লেবাননে ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারিত্ব স্থায়ী করাও ছিল পশ্চিমাদের এইসব সেনা হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্য। কিন্তু মুজাহিদদের ওই বীরত্বপূর্ণ অভিযানের পর আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো লেবানন থেকে তাদের সেনা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। সূত্র: পার্স টুডে, ইকনা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ