বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি চিকিৎসা শেষে আজ দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস ‘ক্যানসারের কঠিন সময়ে সুরা আর-রহমানই জুগিয়েছে মানসিক শক্তি’ ময়মনসিংহে সীরাতকেন্দ্রের ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ শুক্রবার নেতাকর্মীদের অন্যায়-অবিচার না করার শপথ ধর্মমন্ত্রীর ৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান ‘জনরোষ সৃষ্টি হওয়ার আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’ জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎

নিজেদের বাড়ি-ঘর নিজেরাই পোড়াচ্ছেন আর্মেনিয়ার নাগরিকরা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সীমান্তের বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দুই দেশের শান্তি চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী এ অঞ্চলকে আজারবাইজানের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আর এ জন্য হাজার হাজার জাতিগত আর্মেনীয় অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল আজারবাইজানের অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে ১৯৯৪ সাল থেকে এ অঞ্চল জাতিগত আর্মেনীয়দের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছিল। আজারবাইজানের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী আগামীকালের মধ্যে আর্মেনীয়দের এ অঞ্চল ছেড়ে দেশটির অন্য কোনো জেলায় চলে যেতে হবে। আর এ জন্য কিছু আর্মেনীয় তাদের বাড়িতে নিজেরাই আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে, যাতে করে কোনো আজারবাইজানি তাদের বাড়িতে বসবাস না করতে পারেন।

নাগরনো-কারাবাখ বিরোধপূর্ণ এলাকাটি জাতিগত আর্মেনীয় অধ্যুষিত। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ভোটাভুটিতে অঞ্চলটি আর্মেনিয়ার সঙ্গে থাকার পক্ষে রায় দেয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। ১৯৯০ সালের ওই যুদ্ধে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সে সংঘাত থামে।

ওই এলাকাটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও তা আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তাদের সমর্থনে ছিল আর্মেনিয়ার সরকার। আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যস্থতায় দশকের পর দশক আলোচনা চললেও এ অঞ্চল নিয়ে শান্তিচুক্তি অধরা থেকে গেছে। সবশেষ গত মঙ্গলবার থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন হয়। এতে বিরোধীয় কারাবাখ অঞ্চলে রাশিয়ার শান্তিরক্ষীবাহিনীর পর্যবেক্ষণ করার কথা রয়েছে।

এরপর গত বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে তাদের সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর হয়েছে। এ সমঝোতার ফলে মস্কোর সেনাবাহিনীর সঙ্গে আঙ্কারার সেনাবাহিনী ওই অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ