শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
বৃষ্টির আশায় তামিলনাড়ুতে মুসল্লিদের বিশেষ নামাজ ও মোনাজাত! জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট ‘নৈতিকতা, আদর্শ, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে’ প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: মসজিদে নববীর খতিব বিকেএমের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় অধিবেশন চলছে মক্কায় বাঙালি নারী প্রতিষ্ঠিত প্রথম কওমি মাদরাসা! দুই প্রতিষ্ঠানে ‘যে গল্পে ঈমান জাগে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন দৃষ্টির হেফাজত ঈমানের নূর ও অন্তরের প্রশান্তির উৎস: মসজিদে হারামের খতিব আলজেরিয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ২৭ ছাত্রদের নেতৃত্ব গড়ে উঠতে হবে আদর্শ, নৈতিকতা ও যোগ্যতার মাধ্যমে: শায়খে চরমোনাই

স্ত্রী-সন্তানকে ফিরে না পাওয়ার অভিমানে যুবকের আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আদালতে মামলা করেও স্ত্রী-সন্তানকে ফিরে না পাওয়ার অভিমানে পেটে ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যা করেছেন হাফিজুর রহমান নামে এক যুবক। আজ (১৪ ডিসেম্বর) সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণের নিমতলায় এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

হাফিজুর রহমান হবিগঞ্জ শহরতলীর কামড়াপুর এলাকার নুর মিয়ার ছেলে। তবে তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুলতান মাহমুদপুর এলাকায় বসবাস করতেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানায়, প্রায় দুই বছর আগে নিহত হাফিজুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে বুশরা বেগমের। বিয়ের পর তাদের ছেলে সন্তান হয়েছে। সম্প্রতি পারিবারিক বিষয় নিয়ে হাফিজুল ও তার স্ত্রী বুশরার মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। এরই জেরধরে কিছুদিন আগে বুশরা তার সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।

কিন্তু হাফিজুর তার স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে বার বার শ্বশুরবাড়ি গেলেও বিষয়টির কোন সুরাহা হয়নি। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে গত ১৫ অক্টোবর হাফিজুল ইসলাম ১০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি উদ্ধার মামলা করে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এ বুশরার জবানবন্দি দিলে আদালত তাকে তার মা খুদেজা বেগমের জিম্মায় দেন।

সূত্রটি আরো জানায়, এরপর ক্ষোভে অভিমানে হাফিজুর আদালত প্রাঙ্গণের নিমতলায় এসে ছুরি দিয়ে নিজ পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি মুহূর্তেই জানাজানি হলে হাসপাতাল এলাকা ও থানা প্রাঙ্গণে শতশত লোক ভিড় জমায়।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ জানায়, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তের পর এর পেছনে অন্য কোন কারণ আছে কি না জানা যাবে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ