শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আয়নাঘর’ বিগত সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী’ চরিত্রের চরম বাস্তবতা: চিফ প্রসিকিউটর বৃষ্টির আশায় তামিলনাড়ুতে মুসল্লিদের বিশেষ নামাজ ও মোনাজাত! জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট ‘নৈতিকতা, আদর্শ, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে’ প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: মসজিদে নববীর খতিব বিকেএমের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় অধিবেশন চলছে মক্কায় বাঙালি নারী প্রতিষ্ঠিত প্রথম কওমি মাদরাসা! দুই প্রতিষ্ঠানে ‘যে গল্পে ঈমান জাগে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন দৃষ্টির হেফাজত ঈমানের নূর ও অন্তরের প্রশান্তির উৎস: মসজিদে হারামের খতিব আলজেরিয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ২৭

বৃষ্টির আশায় তামিলনাড়ুতে মুসল্লিদের বিশেষ নামাজ ও মোনাজাত!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে খরার পরিস্থিতি দেখা দেওয়ায় ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপ্পল্লি জেলায় বৃষ্টির জন্য বিশেষ নামাজ (সালাতুল ইসতিসকা) ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দুই হাজারেরও বেশি মুসল্লি অংশ নিয়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টি ও রহমত কামনা করেন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) জেলার থেন্নুর এলাকার সান্ধাই ময়দানে এই বিশেষ নামাজ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

ভারতে বর্তমানে বর্ষাকাল চললেও তামিলনাড়ুর বিভিন্ন এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির অভাব এবং তীব্র গরমে জেলার তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। এতে কাবেরী নদীর পানির স্তর কমে গেছে এবং অনেক পুকুর, জলাশয় ও হ্রদ শুকিয়ে পড়েছে। এর ফলে কৃষি, গৃহপালিত পশুপাখি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে তিরুচিরাপ্পল্লি জেলা জামায়াতুল উলামা সভা বৃষ্টি কামনায় সালাতুল ইসতিসকা আয়োজনের আহ্বান জানায়। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দুই হাজারের বেশি মুসল্লি একত্রিত হয়ে বিশেষ নামাজ আদায় ও মোনাজাতে অংশ নেন।

বিশেষ নামাজে ইমামতি করেন তিরুচিরাপ্পল্লি জেলা জামায়াতুল উলামা সভার সভাপতি মুহাম্মদ নুরুল হক রাশাদি। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আমুল হাসান হযরতসহ স্থানীয় আলেম ও ধর্মীয় নেতারা।

এদিকে, পরিবর্তিত আবহাওয়া পরিস্থিতি মোকাবিলায় পদক্ষেপ নিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় বৃহস্পতিবার একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছেন।

সরকারি সূত্র জানায়, কমিটিটি চলমান এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব পর্যালোচনা করবে এবং সম্ভাব্য খরা, অতিবৃষ্টি ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকারকে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং অনিয়মিত মৌসুমি বৃষ্টিপাত দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি সরকারও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের চেষ্টা করছে।

সূত্র: এএনআই

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ