শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারত থেকে কেনা ২০০ রেলকোচের প্রথম ১৮টি দেশে পৌঁছেছে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি

দৃষ্টির হেফাজত ঈমানের নূর ও অন্তরের প্রশান্তির উৎস: মসজিদে হারামের খতিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পবিত্র মক্কার মসজিদুল হারামে জুমার খুতবায় বিশ্বখ্যাত কারী ও ইমাম শায়খ ড. ইয়াসির আদ-দোসারি দৃষ্টির (চোখের) হেফাজতের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চোখ আল্লাহর মহান নেয়ামত ও আমানত। এ নিয়ামতের সঠিক ব্যবহার ঈমানকে শক্তিশালী করে, আর হারাম দৃষ্টি মানুষের অন্তরের নূর নিভিয়ে দেয়। খুতবায় তিনি চোখের হেফাজত কীভাবে করতে হবে এর একটা উপায়ও তুলে ধরেন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) জুমার খুতবায় শায়খ আদ-দোসারি বলেন, চোখ আল্লাহ তায়ালার অন্যতম বড় নেয়ামত, যার মাধ্যমে মানুষ সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য করতে সক্ষম হয়। এই নেয়ামতের যথার্থ শোকর হলো একে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক কাজে ব্যবহার করা।

খুতবায় তিনি উল্লেখ করেন, মানুষের চোখ হৃদয়ের দূতস্বরূপ। চোখ যা দেখে, তার প্রভাব সরাসরি অন্তরে পড়ে। হারাম দৃষ্টিকে তিনি ‘শয়তানের বিষাক্ত তির’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি মানুষের অন্তরের নূর ও ঈমানি শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

বর্তমান ডিজিটাল যুগের বিভিন্ন ফিতনা প্রসঙ্গে শায়খ ইয়াসির বলেন, মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন স্ক্রিন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ায় দৃষ্টির হেফাজত করা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও কঠিন হলেও এটি তাকওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের দৃষ্টি সংযত রাখে, আল্লাহ তাকে ঈমানের মাধুর্য, অন্তরের প্রশান্তি, প্রজ্ঞা, গভীর অন্তর্দৃষ্টি এবং হৃদয়ে বিশেষ নূর দান করেন।

খুতবায় তিনি মুসল্লিদের উদ্দেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ নসিহতও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যখনই কোনো হারাম বা অনুচিত বিষয়ে দৃষ্টি পড়তে যায়, তখন যেন প্রত্যেকে স্মরণ করে—‘তুমি সেটি দেখার আগেই আল্লাহ তোমাকে দেখছেন।’

তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, কেয়ামতের দিন মানুষের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও অন্তর—সবকিছু সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

খুতবার সমাপ্তিতে শায়খ ইয়াসির সৌদি আরবের নিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য দোয়া করেন। একই সঙ্গে তিনি বিশেষভাবে ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য আল্লাহর গায়েবি সাহায্য, বিজয় এবং সকল বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি কামনা করেন। সূত্র: হারামাইন সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেইজ

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ