মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হিফজুল হাদিস প্রতিযোগিতায় জামিয়া বাইতুল করিমের দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য সরকার আজ বললে কালই নিচের সব সনদের মান দেবে বেফাক: ওবায়দুর রহমান খান নদভী গাজীপুরে আবারও ঝুটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে ঢুকতে পারবেন প্রবাসীরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রিসালাত ও সুন্নাহ অস্বীকারকারীর জানাজার বিধান ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২২১৮ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকার প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম  যুক্তরাজ্যে ঝড় বোয়েলোর তাণ্ডব, নিহত ২, বিদ্যুৎহীন ৯০ হাজার বাড়িঘর তেহরানে বৈঠকে বসছেন সৌদি-তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা  

হৃদয়ে ঝড় তোলা একটি স্থিরচিত্র ও কিছু কথা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব।।
সাব-এডিটর

সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়ায় একটি স্থিরচিত্র ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। হৃদয়ে নাড়া দিচ্ছে মানুষের। কর্মমূখর হতে কিছুটা হলেও উৎসাহিত করছে।

স্থিরচিত্রে দেখা যায়, ‘এক প্রতিবন্ধী যুবক। পা দু’টো অকেজু। হাতও ঠিক মতো কাজ করে না। তবুও মাথায় সবজির বোঝা। পথে হামগুড়ি দিচ্ছেন। খুঁজে ফিরছেন একজন গ্রাহক; যার অসিলায় চলবে সে ও তার স্বপ্নের পরিবার। রঙিন করে তোলবেন নিজের শাদাকালো জীবন।’ এটাই তো ইসলামের শাশ্বত শিক্ষা। অকৃত্রিম নির্দেশ।

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দারিদ্র্য দূরীকরণে মানুষকে কর্মের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছেনে। ক্ষুধার যন্ত্রণা ও অভাব থেকে বেঁচে থাকতে কার্মমূখী হওয়ার উপদেশ ও উৎসাহ প্রদান করেছেন। বলেছেন কর্মমূখর জীবনের কথা। সে পথে হাঁটতে বলেছেন। পথ দেখিয়েছেন। কখনো নিজে ধরে তাকে সে পথের সন্ধান দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে প্রিয় নবীর একটি হাদিস আলোকে কবিতা রচনা করেন মুসলিম কবি শেখ হাবিবুর রহমান। ‘নবীর শিক্ষা’ কবিতায় তিনি ছন্দে ছন্দে বলেন-

তিন দিন হতে খাইতে না পাই, নাই কিছু মোর ঘরে,
দারা পরিবার বাড়িতে আমার উপোস করিয়া মরে।

নাহি পাই কাজ, তাই ত্যাজি লাজ বেড়াই ভিক্ষা করি,
হে দয়াল নবী, দাও কিছু মোরে নহিলে পরাণে মরি।'

আরবের নবী, করুণার ছবি ভিখারির পানে চাহি,
কোমল কণ্ঠে কহিল, ‘তোমার ঘরে কি কিছুই নাহি?'

বলিল সে, 'আছে শুধু মোর কম্বল একখানি।'
কহিল রসুল, 'এক্ষণি গিয়া দাও তাহা মোরে আনি।'

সম্বল তার কম্বলখানি বেচিয়া তাহার করে,
অর্ধেক দাম দিলেন রসুল খাদ্য কেনার তরে,

বাকি টাকা দিয়া কিনিয়া কুঠার, হাতল লাগায়ে নিজে,
কহিলেন, 'যাও কাঠ কেটে খাও, দেখ খোদা করে কি-যে।'

সেদিন হইতে শ্রম সাধনায় ঢালিল ভিখারি প্রাণ,
বনের কাষ্ঠ বাজারে বেচিয়া দিন করে গুজরান।

অভাব তাহার রহিল না আর, হইল সে সুখী ভবে,
নবীর শিক্ষা ক'রো না ভিক্ষা, মেহনত কর সবে।

কর্মমূখর যুবক মরে যাবে তবুও ভিক্ষা করবে না। তার এ অভিপ্রায়কে শ্রদ্ধা জানাই। আল্লাহ তার রুজিতে বরকত দিকে। রঙিন হয়ে উঠুক তার শাদা কালো জীবন। ভালবাসা ফিরে পাক তার জীবনের প্রতিটি অধ্যায়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ