ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে এদেশে যেসব স্কলার ভিন্নমাত্রিকভাবে সক্রিয়, কবি,গবেষক মুসা আল হাফিজ তাদের অন্যতম। একজন সংস্কৃতিতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক হিসেবে তিনি যেমন বরেণ্য, তেমনি এর বিস্তার ও প্রসারে তিনি পালন করেন দাঈর ভূমিকা। এ ক্ষেত্রে তার কর্মধারা বৈচিত্র্যময়। বিদগ্ধ আলেম ও সাহিত্যিক মুসা আল হাফিজের মুখোমুখি আমরা হই ইসলামিক হিস্ট্রি এন্ড কালচার অলিম্পিয়াড নিয়ে কথা বলার জন্য। তিনি এর জাতীয় আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান। আওয়ার ইসলামের সাথে তার আলাপচারিতা ছিলো নিম্নরূপ-
আওয়ার ইসলাম: অলম্পিয়াড কী? কেন আয়োজন হচ্ছে এ অলিম্পিয়াড? কী এর উদ্দেশ্য?
মুসা আল হাফিজ: অলিম্পিয়াড গ্রিক একটি এলাকা থেকে শুরু হয়। অলিম্পিয়া নামক জনপদ থেকে। সেখানে বিবাদরত দুই রাষ্ট্রের মধ্যে মৈত্রীর নিদর্শন স্বরূপ আয়োজন হতো সপ্তাহব্যাপী খেলার। এটি ছিলো মানুষের সাথে মানুষের বন্ধন ও বিনিময় বাড়ানোর প্রয়াস। পরে এটি অলিম্পিয়া এলাকার নামে অলিম্পিয়াড বলে প্রাচারিত হয়। এর সাথে বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় নানা কালচারাল ব্যাপারাদি যুক্ত হয়। একেক জনগোষ্ঠী নিজেদের প্রথা ও বিশ্বাসের সাথে মিলিয়ে একে উদযাপন করতো। ফলে এ নিয়ে বিতর্কও হতো। এক সময় এটি নিষিদ্ধও হয় খ্রিস্ট্রিয় দুনিয়ায়।
আধুনিক কালে মূলত জ্ঞানগত নানা প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনের ক্ষেত্রে অলিম্পিয়াড কথাটার ব্যাবহার হচ্ছে। দুনিয়া জোড়ে এটি চলমান। গণিত,অর্থনীতি,ইতিহাস,ধর্ম ইত্যাদি নিয়ে এর আয়োজন হচ্ছে দেশে দেশে। এটি সর্বজনীন ও আন্তর্জাতিক চরিত্র লাভ করেছে।
ইসলামি হিস্ট্রি এন্ড কালচার অলিম্পিয়াড বাংলাদেশে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির জ্ঞানগত ও আচারগত উজ্জীবনের একটি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা। এর উদ্দেশ্য আমাদের জীবন ও জগতকে সাজাতে ইসলামের ইতিহাস যে বার্তা দেয়, সংস্কৃতি যে শিক্ষা দেয়, তাকে জানা ও জানানো এবং এর গঠনমূলক অনুশীলনের প্রণোদনা বাড়ানো। এ মূলত ইসলামের জীবনাবেদনকে নিয়ে আমাদের এনলাইটেনমেন্টের লক্ষ্যে নিবেদিত।
আওয়ার ইসলাম: দুই হাজার বিশ - একুশের এ আয়োজনে কেমন সাড়া পাচ্ছেন? কেমন আশা করছেন?
মুসা আল হাফিজ: সাড়া দেয়ার জন্য আসলে আমাদের সামাজিক ক্ষেত্র তৈরী হয়েই আছে। সেটা এ অর্থে, যে, ইসলামকে জানার আগ্রহ রয়েছে ব্যাপক। কিন্তু পদ্ধতি হিসেবে অলিম্পিয়াড à