মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬ প্রবাসীদের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী শায়খ আব্দুস সাত্তার: বীর মুজাহিদিনের প্রতিচ্ছবি সৌদিগামী আটকে পড়া যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থার দাবি ‘ড. সাঈদুর রহমান আজমি নদভির মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান’

যাকাতের ফাযায়েল ও কিছু জরুরি মাসায়েল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি সৈয়দ নাছির উদ্দীন আহমদ

ঈমানের পর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ইবাদত হল সালাত ও যাকাত । কুরআন মাজীদে বহু স্থানে সালাত-যাকাতের আদেশ করা হয়েছে এবং আল্লাহর অনুগত বান্দাদের জন্য অশেষ ছওয়াব, রহমত ও মাগফিরাতের পাশাপাশি আত্মশুদ্ধিরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ।

আদ্দুরুল-মুখতার প্রণেতা বলেন,
الزكوة هو تمليك جزء من مال عينه الشارع لمسلم فقير غير هاشمي ولا مولاه مع قطع المنفعة عن الملك من كل وجه لله سبحانه وتعالى.
যাকাতের সারসংক্ষেপ সংজ্ঞা হল,নিসাব পরিমাণ মালের এক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এর একটি নির্দিষ্ট অংশ কোন ফকির কিংবা তার অনুরূপ ব্যক্তির মালিকানায় দিয়ে দেওয়াকে যাকাত বলা হয় ।
যাকাতের হুকুম :
যাকাত একটি ফরয বিধান। কুরআন-হাদীস ইজমায়ে উম্মতের দ্বারা যাকাতের ফরজিয়ত প্রমাণিত। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন,

واقيموا الصلوة واتو الزكوة الخ:(سورة البقرة ٤٣)

অর্থ: তোমরা সালাত আদায় কর এবং যাকাত প্রদান কর । ( সুরা বাকারা ৪৩)

হাদীস শরীফে এসেছ,মহানবী(সা.)বলেন,
ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত।
আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নাই এবং মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহর প্রেরিত রাসূল- এতে সাক্ষ্য দেয়া,
নামায প্রতিষ্ঠা করা, যাকাত দেয়া, শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকলে হজ্জ্ব করা এবং রমযান মাসে রোযা রাখা।’’ (বুখারী ও মুসলিম)
ইজমায়ে উম্মত দ্বারা যাকাতের ফরজিয়ত প্রমাণিত এভাবে যে,যাকাত ফরজ হওয়ার উপর সমগ্র উম্মত একমত । তা অস্বীকারকারী কেউ নেই । (বাদায়ে উস সানায়ে ২/৩৭৩)

যাকাত ফরয হওয়ার শর্ত: মুসলিম,যাকাত সম্পর্কে জ্ঞান,প্রাপ্তবয়স্ক,বিবেকবান, স্বাধীন গুণসম্পন্ন নারী পুরুষের উপর নিম্নে বর্ণিত শর্ত সমুহের ভিত্তিতে যাকাত দেয়া ফরজ । (বাদায়ে উস সানায়ে ২/৩৭৭)
শর্ত সমুহ হল ; (১) নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকা (২) সম্পদের উপর পূর্ণাঙ্গ মালিকানা থাকা । সুতারাং যে সম্পদ মালিকের অধিকার নেই,উপস্থিত সময় এ মালে যাকাত কাম্য নয় (৩) নিছাব মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত হওয়া। (ব্যবহারের মালামাল,নিত্য ব্যবহার্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যে যাকাত নেই) (৪) নিছাব করজ মুক্ত হওয়া । অর্থাৎ করজ পরিশোধ করার পর বা করজ পরিমাণ সম্পদ বাদ দেওয়ার পর নিছাব পরিমাণ মাল থাকলে তার উপর যাকাত ফরজ হবে। (৫) সম্পদ বর্ধনশীল হওয়া। অর্থাৎ এমন সম্পদ যার মধ্যে বৃৃদ্ধি পাওয়ার যোগ্যতা আছে। (এই বৃদ্ধি প্রকৃতগত ভাবে হোক ; যেমন – সোনা , রূপা অথবা কাজের ভিত্তিতে হোক ; যেমন- ব্যবসার মাল , গৃহপালিত পশু ইত্যাদি ।) (বাদায়ে উস সানায়ে ২/৩৭৭-৪০৫ )

যাকাত আদায় কখন ওয়াজিব ? যখন কারো নিকট নিছাব পরিমাণ সম্পদ পূর্ণ এক বছর স্থায়ী থাকে,তখন তার জনà§