মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪

জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার ভিডিও ধারন করা কিশোরী পুরস্কার পেলেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিনেয়াপোলিসের রাস্তায় গত বছরের ২৫ মে আফ্রিকান-আমেরিকান নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডকে গ্রেফতারের সময় তার গলার উপর ৯ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে হাঁটু গেড়ে বসে ছিলেন ৪৫ বছর বয়সি শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক শভিন।

এ সময় পুরো ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করেন কিশোরী পথচারী ডারনেলা ফ্রেজিয়ার। তার ওই ভাইরাল হওয়া ভিডিওর কারণে অবশেষে ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক শভিনকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে মার্কিন আদালত।

তার এ অসীম সহসীকতা ও 'বিশেষ সাংবাদিকতার' জন্য পুলিৎসার পুরস্কার কমিটি তাকে পুরস্কৃত করেছে। খবর বিবিসির।

পুলিৎসার কমিটি বলেছে, ডারনেলা ফ্রেজিয়ার অত্যান্ত সাহসীকতার সঙ্গে সেদিন ভিডিওটি করেছেন বলেই পুলিশের ওই বর্বরতা নিয়ে বিশ্ববাসী সোচ্চার হয় এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে দোষি পুলিশ কর্মকর্তার বিচার হয়।

ফ্রেজিয়ার সেদিন তার নয় বছরের এক চাচাতো বোনকে নিয়ে 'কাপ ফুডস্' নামে এক দোকানে যাচ্ছিলেন। দোকানটা মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে- তার বাসার বেশ কাছেই। পথে তিনি দেখতে পান পুলিশ কীভাবে ফ্লয়েডের গলা চেপে ধরেছে।

তিনি দাঁড়িয়ে যান। তার ফোন বার করেন এবং রেকর্ড বোতামে চাপ দেন।

পুরো দশ মিনিট নয় সেকেন্ড তিনি ভিডিওতে ছবি তোলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত পুলিশ অফিসাররা ও ফ্লয়েড সেখানে ছিলেন। পুলিশ অফিসাররা পায়ে হেঁটে স্থান ত্যাগ করে আর  ফ্লয়েডকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হয়।

যখন কোন ভিডিও ভাইরাল হয়, সেই ভিডিওর বিষয়বস্তু যখন সংবাদ শিরোনাম হয়, তখন যে ওই ভিডিও তুলেছে তার নাম সংবাদের আড়ালে প্রায়শই ঢাকা পড়ে যায়।

যখন তিনি ভিডিও ক্যামেরা চালু করেন তখন ৪৬ বছর বয়স্ক জর্জ ফ্লয়েড দম নিতে না পেরে হাঁপাচ্ছেন, কাতর কণ্ঠে বারবার অনুনয় করছেন, প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ।

তার ক্যামেরা তখন ছবি তুলছে বিশ সেকেন্ড ধরে। ফ্লয়েড এরপর আর যে তিনটি শব্দ উচ্চারণ করতে পেরেছিলেন, তা এখন বিশ্বজোড়া এক আন্দোলনের মূলমন্ত্র হয়ে উঠেছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ