মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


যে কারণে মানুষ আল্লাহর সৃষ্টির সেরা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা শামসুল আরেফীন।।

মানুষ হচ্ছে সৃষ্টির সেরা জীব।মানুষ এবং জীন এদু'জাতিকে আল্লাহ তায়ালা বিবেক বুদ্ধি দান করেছেন যা অন্য কোনো প্রাণীকে দান করেননি।দান করেছেন ভালো মন্দ সত্য এবং মিথ্যে দুটোর মাঝে পার্থক্য করার মত অসম্ভব যোগ্যতা।

পৃথিবীতে অসংখ্য অগণিত প্রাণী বিচরণ করছে। তারা কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের দিক দিয়ে সেরা নয়।যেমনটি মানুষকে বলা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে উত্তম আকৃতির কথা কুরআনে এভাবে তুলে ধরলেন যে, আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে।(আত ত্বীন - ৪)

তিনি মানুষকে উত্তম আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন।যা পরিলক্ষিত হয় অন্যান্য প্রাণীর দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপের ফলে।একটু ভেবে দেখুন আমরা মানুষ কত চমৎকার অবয়ব বিশিষ্ট। পৃথিবীর ইতিহাসে আজ অবধি কেউ বলতে পারেনি এই অঙ্গটা এদিকে না দিয়ে ওদিকে দেয়ার প্রয়োজন ছিলো! এমন দুটানা প্রশ্ন আমার বোধহয় কারো মনে উদয় হয়নি বরং এমনটি হয়েছে যে, যেই স্রষ্টা এমন সুন্দর করে মানুষের অঙ্গ প্রতঙ্গগুলো স্ব- স্ব স্থানে স্থাপন করেছেন তিনি না জানি কত সুন্দর।

কিন্তু মানুষ এবং জিন ছাড়া বাকী সমুদয় জীবের জন্য ইহ জীবনেই তাদের শুরু এবং শেষ। সে সব জন্তুর প্রয়াণ আছে তবে প্রস্থান নেই।কিন্তু মানুষের প্রয়াণের সাথে সাথেই প্রস্থান ঘটে যায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি জগতের মধ্যে সেরা সৃষ্টি হিসেবে সর্বোকৃষ্ট মর্যাদায় ভূষিত করেছেন।

যেমন আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনুল কারীমে এরশাদ করেন, নিশ্চয় আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি, আমি তাদেরকে স্থলে ও জলে চলাচলের বাহন দান করেছি; তাদেরকে উত্তম জীবনোপকরণ প্রদান করেছি এবং তাদেরকে অনেক সৃষ্ট বস্তুর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।
(বনী-ইসরাঈল - ৭০)

তিনি এই ভূপৃষ্ঠে আমাদেরকে তার অবাধ্যতা করার জন্য প্রেরণ করেননি।বরং প্রেরণ করেছেন তার দাসত্ব বা গোলামী করার জন্য। মহান আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারীমের অনেক জায়গায়তেই তাঁর প্রিয় হাবিব হযরত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনুগত্য করার আদেশ করেছেন।

প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন উত্তম চরিত্রের অধিকারী। মানুষের সাথে তিনি নম্র ও কোমল আচরণ করতেন আর এটাই ছিলেন তাঁর উত্তম চরিত্রের প্রকাশ । কারণ নম্র আচরণ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি সুন্নাত। হাদিস শরীফে আছে যে নম্রতা থেকে বঞ্চিত সে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত। (মেশকাত ৪৩১) আমরা নিরন্তর মানুষের সাথে হাসি মুখে কথা বলার চেষ্টা করব।কেননা এটাও একটি সাওয়াবের কাজ।হাদিস শরীফে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন যে ব্যক্তি মানুষের ওপর দয়া করে