শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

ভারতের অধিকাংশ মুসলিম ইসলামি আদালতকে সমর্থন করে: পিউ রিসার্চ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বেশির ভাগ মুসলিম শরিয়াহ আদালতকে সমর্থন করে। সম্প্রতি পিউ রিসার্চ সেন্টার কর্তৃক পরিচালিত এক জরিপে দেখা যাচ্ছে, দেশটির মুসলিমরা নিজেদের পারিবারিক বিরোধ সমাধান, উত্তরাধিকার সম্পদ বণ্টন ও বিয়েবিচ্ছেদসহ বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানে শরিয়াহ আদালতে শরণাপন্ন হওয়াকে সমর্থন করে।

গত ২৯ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনমত জরিপ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী ভারতীয়দের নিয়ে একটি জরিপ প্রকাশ করে। তা থেকে জানা যায়, ভারতের তিন-চতুর্থাংশ তথা ৭৪ শতাংশ মুসলিম ‘মুসলিম আদালত’-এর মাধ্যমে পারিবারিক বিবাদ, যেমন—বিয়েবিচ্ছেদ ও উত্তরাধিকার মামলার নিষ্পত্তিকে সমর্থন করে। পৃথক ধর্মীয় আদালতের পক্ষের মুসলিমরা মনে করে, ধর্মীয় বৈচিত্র্য ভারতকে নানাভাবে উপকৃত করে।

অন্যদিকে শতকরা ৫০ ভাগ ভারতীয় নাগরিক মুসলিমদের জন্য পৃথক ধর্মীয় আদালতের বিরোধিতা করে। কেবল ৩০ শতাংশ হিন্দু ধর্মীয় আদালতের মাধ্যমে মুসলিমদের পারিবারিক বিবাদ নিষ্পত্তিতে সমর্থন করে।

অবশ্য অনেক ভারতীয় নাগরিক শরিয়াহ আদালতের ক্রমাগত বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বর্তমানে ভারতে ৭০টি ইসলামী আদালত বা দারুল কাজা আছে। ১৯৩৭ সাল থেকে মুসলিমদের পারিবারিক বিবাদ নিষ্পত্তি করতে তা কাজ করছে। এর বেশির ভাগ মহারাষ্ট্র ও উত্তর প্রদেশে অবস্থিত।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে ‘রিলিজিয়ান ইন ইন্ডিয়া টোলারেন্স অ্যান্ড সেগ্রেগেশন’ বা ‘ভারতে ধর্ম: সহনশীলতা ও বিচ্ছিন্নতা’ শীর্ষক এই জরিপে বিভিন্ন ধর্মের ২৯ হাজার ৯৯৯ জন ভারতীয়র সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। এর মধ্যে ২২ হাজার ৯৭৫ জন হিন্দু ধর্মের অনুসারী এবং তিন হাজার ৩৩৬ জন ইসলাম ধর্মের অনুসারী। আর বাকিরা শিখ, খ্রিস্ট, বৌদ্ধ, জৌন ধর্মের অনুসারী। সূত্র: ইকনা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ