শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
সমুদ্রে সৃষ্টি হচ্ছে লঘুচাপ, বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস ধামরাইয়ে ৪ গাড়ির সংঘর্ষ, নিহত ২ শিক্ষার্থী ফ্রান্স-স্পেনে ভয়াবহ দাবানল: ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে সাহায্যের প্রত্যাশা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হলে আলোচনা নয়, সিজেপির কড়া হুঁশিয়ারি লেখকপত্রের ২৯তম সংখ্যা বাজারে ১৯ বছর আগের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ দিল্লি জামে মসজিদের ইমামের ইসলামী আন্দোলনের তিন জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত মাদক পরিবার-সমাজকেও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়: মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ এমপি ৪ দিনের ইসলাহি ও দাওয়াতি সফরে মালয়েশিয়ায় শায়খ মুফতী হাফীজুদ্দীন ‘কওমি মাদরাসা নিয়ে অপপ্রচার যেমন রুখতে হবে, অপরাধীও ছাড় পাবে না’

’১৯ সালের ভোটাররা যোগাযোগ করলেই পাবেন স্মার্টকার্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনো কোনো জাতীয় পরিচয়ত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড পাননি, এমন নাগরিকরা মাঠ কার্যালয়ে যোগাযোগ করলেই পাবেন স্মার্টকার্ড। ২০১৯ সালে যারা ভোটার হয়েছেন তাদের দেওয়া হচ্ছে উন্নতমানে এই পরিচয়পত্র।

ইসির মাঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনাকালেও তারা সেবা অব্যহত রেখেছেন। ঢাকা মহানগরীতে সপ্তাহের মঙ্গলবার এবং ঢাকার বাইরে সুবিধা অনুযায়ী অফিস খোলা রেখে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যারা এখনো ভোটার হননি, জরুরি ভিত্তিতে আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের ভোটার করে নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু করে ইসি। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে ২০২০ সালের ১ মার্চ। সেই সময় নতুন ৫৫ লাখ ভোটার তালিকায় যুক্ত হন।

এসব ভোটারদের মধ্যে যিনি যে উপজেলায় বা থানার অধীনে ভোটার হয়েছেন, সেই নির্বাচন কার্যালয়ে যোগাযোগ করলেই পেয়ে যাবেন স্মার্টকার্ড। পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও হবে এই কার্ড।

উত্তরা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রতি মঙ্গলবার আমরা করোনাকালে অফিস খোলা রাখছি। প্রিন্ট হয়ে স্মার্টকার্ড আমাদের সকল থানা/উপজেলা কার্যালয়ে চলে এসেছে। আগ্রহীরা স্বশরীরে যোগাযোগ করলেই নিতে পারবেন স্মার্টকার্ড।

ভোটারদের স্মার্টকার্ড দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১১ সালের বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আইডিইএ প্রকল্পটি হাতে নেয় ইসি। সেই সময়কার ৯ কোটি ভোটারদের হাতে উন্নতমানে এই জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে ফরাসি কোম্পানি অবারথার টেকনোলজিজকে কাজ দেয় ইসি। তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কার্ড বুঝিয়ে দিতে না পারায় নির্বাচন কমিশন বর্তমানে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির কাছ থেকে কাজটি করে নিচ্ছে। আর ফাঁকা কার্ডে তথ্য প্রবেশ করানো হচ্ছে ইসির নিজস্ব পাসোনালাইজ সেন্টারে। কার্ড প্রতি ব্যয় হচ্ছে দেড় ডলার।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ