আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই ভয়াবহ বৈশ্বিক মহামারির সময়ে সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভেঙে দিয়েছে। তাদের উদাসীনতা, অযোগ্যতা, ব্যর্থতা, দুর্নীতি আজ দেশকে এবং দেশের মানুষের জীবন-জীবিকাকে বিপন্ন করে তুলেছে। হাসপাতালগুলোতে বেড নেই, অক্সিজেন নেই, আইসিইউ বেড নেই এবং ঔষধ নেই। এরকম একটা অবস্থা তারা (সরকার) সৃষ্টি করেছে। করোনা হবে চিকিৎসা পাবে না, ভুল চিকিৎসা হবে, গরীব মানুষ চিকিৎসার অভাবে রাস্তায় পড়ে থাকবে এটা মেনে নেয়া যায় না।
সোমবার বিএনপি মরহুম সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আবদুল আউয়াল খান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘স্মৃতিতে আহ্বান’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছিলাম প্রান্তিক মানুষকে যেন লকডাউন চলাকালীন তিন মাসের জন্য এককালীন ১৫ হাজার টাকা অনুদান হিসেবে দেয়া হয়। তারা (সরকার) কোনো কথাই শুনেনি। অথচ ২৮ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দিয়েছে তার শতকরা ৮৬ ভাগ ভুয়া। অর্থাৎ তারা যে নামগুলো দিয়েছে সেখানেও তারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নামগুলো দিয়েছে যাতে করে সেই টাকা নিয়ে নিতে পারে। এটা সর্বক্ষেত্রেই হচ্ছে।
সিলেট উপনির্বাচনে গ্রেপ্তার-হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, করোনা সংক্রমণ মহামারির মধ্যেও তারা (নির্বাচন কমিশন) সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন করছেন। এতো বলার পরেও হাইকোর্টে রিট করার পরেও তারা সেটা থেকে বিরত হননি। জোর করে এই নির্বাচন করে আরো একটা বিরাট অংশকে তারা বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছেন। এই নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করছি না। অথচ আমাদের নেতা-কর্মীদের অস্থির করে রেখেছে, বাড়ী বাড়ী রেইট করছে, নেতা-কর্মীদের হয়রানি করছে, তাদেরকে গ্রেপ্তার করছে।
এমডব্লিউ/