মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হিফজুল হাদিস প্রতিযোগিতায় জামিয়া বাইতুল করিমের দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য সরকার আজ বললে কালই নিচের সব সনদের মান দেবে বেফাক: ওবায়দুর রহমান খান নদভী গাজীপুরে আবারও ঝুটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে ঢুকতে পারবেন প্রবাসীরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রিসালাত ও সুন্নাহ অস্বীকারকারীর জানাজার বিধান ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২২১৮ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকার প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম  যুক্তরাজ্যে ঝড় বোয়েলোর তাণ্ডব, নিহত ২, বিদ্যুৎহীন ৯০ হাজার বাড়িঘর তেহরানে বৈঠকে বসছেন সৌদি-তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা  

ভুয়া কোম্পানির নামে ১৩০০ কোটি টাকা লুট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভুয়া কোম্পানির নামে ঋণ নিয়ে ফাস ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

কম্পিউটারে নামসর্বস্ব ২০টি কোম্পানির প্যাড বানানো হয়েছে। আদতে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্বই নেই। ভুয়া এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ আবেদন করে ফাস ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। দুদকের অনুসন্ধানে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির ১২ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে এ জালিয়াতির তথ্য।

ফাস ফিন্যান্স ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেড একসময় শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ছিলো। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়ে বিপাকে পড়ে। এই টাকা আর ফেরত আসে না। গ্রাহকের আমানতের টাকা দিতেও হিমশিম খায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি। পরে ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ এনে প্রতিষ্ঠানটির ওপর দুদকে একটি প্রতিবেদন পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই প্রতিবেদনের আলোকে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

সম্প্রতি দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, বর্ণ এন্টারপ্রাইজ, এনবি, মেরিন ট্রাস্ট, মুন ইন্টারন্যাশনাল, হাল ইন্টারন্যাশনাল, দ্রিনান এন্টারপ্রাইজসহ ২০টি প্রতিষ্ঠানের নামে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ফাস ফিন্যান্স থেকে ঋণের নামে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। যেসব কোম্পানির প্যাড ব্যবহার করা হয়েছে তার সবই ভুয়া।

এই জালিয়াতির ঘটনায় সোমবার প্রতিষ্ঠানটির সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়াজ আহমেদ ফারুকী, দীপক কুমার চক্রবর্তীসহ ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে একটি টিম। জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেছেন, পরিচালনা পর্ষদসহ ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে ঋণ দেয়া হয়েছে।

দুদক সচিব জানিয়েছেন, জালিয়াতির তথ্যপ্রমাণ এখন তাদের হাতে। এ ঘটনায় পলাতক পিকে হালদারের দায় আছে কি-না তাও খতিয়ে দেখছে দুদক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ