সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর ১১ মাস পর চলে গেলেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীও

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: বাংলাদেশের কিংবদন্তী আলেম ছিলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.। এদেশের কোটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন ছিলেন তিনি। দেশের সব মানুষের কাছে যিনি ছিলেন মহান পুরুষ। যার অবদান ভুলার নয়। গতবছরের ১৮ সেপ্টেম্বর দুনিয়া থেকে বিদায় নেন এ কিংবদন্তি। আজ পূর্ণ ১১ মাস পর (১৯ আগস্ট)  তার পথ ধরেই বিদায় নিলেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির। আর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ছিলেন হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠালীন মহাসচিব। আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর ইন্তেকালের পর হেফাজতে ইসলামের আমির হোন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। আর মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ দেওয়া হয় আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী রহ.কে। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর মারা যান তিনিও। আর আজ চলে গেলেন হেফাজতের দ্বিতীয় আমির।

গত বছরের (১৮ সেপ্টেম্বর) শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়ায় আজগর আলী হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.।

আর আজ ১৯ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২ টা ৪৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রহ.। তিনিও হাসপাতালেই ইন্তেকাল করেন। তবে আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর মৃত্যুর পুর্বে অনেক ঘটনা প্রবাহ ঘটলেও আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রহ. এক রকমের না বলেই হয়ে গেলো।

আল্লামা আহমদ শফী রহ. ১৯২০ সালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার পাখিয়ারটিলা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পিতার নাম ছিলো বরকম আলী। আর মাতার নাম মেহেরুন্নেছা বেগম। আর আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী রহ. ১৯৫৩ সালের ৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার বাবুনগর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবুল হাসান ও মাতা ফাতেমা খাতুন। হারুন বাবুনগরী তার নানা। মায়ের দিক দিয়ে তার বংশধারা হজরত আবু বকর সিদ্দীক রা. এর সাথে মিলিত হয়।

ইন্তেকালের পর দুজনের কবরও হচ্ছে পাশাপাশি। আহ! ক্ষণজন্মা পুৃরুষেরা এসেছিলেন বিশ্ববাসীকে দীনের আলো বিলাতে। আজ সাধারণ মানুষের ভালবাসায় বিদায় নিচ্ছেন তারা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে দুজনই ছিলেন ক্ষণজন্মা। তাদের বিদায়ে দেশ আজ অভিভাবকশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রবাদ আছে, আলেমের বিদায় মানে আলমের বিদায়। আল্লাহ তায়ালা জ্ঞানের রত্মভাণ্ডারদের মাধ্যমেই হেফাজত করবেন ইলম। আর তাদের উঠিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে ইলম উঠিয়ে নিবেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ