আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রোহিঙ্গাদের শীর্ষনেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকা ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জনই পলাতক রয়েছে। আছে শুধু নুরুল আলম। পলাতক ১৪ জনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। যে কারণে হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তাদের কোনো খোঁজখবর নেই বলে জানান তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকা নুরুল আলম।
মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে নিরাপত্তাকর্মী নুরুল আলম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে মোরশেদসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে। কারণ ওই দিন মোরশেদ মুহিবুল্লাহর কার্যালয়ের সামনে ছিলেন। অফিসে প্রবেশের সময় মোরশেদের সঙ্গে মুহিবুল্লাহ কথাও বলেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ২৯ সেপ্টেম্বর এশার নামাজের পর আশপাশের রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে বৈঠক করছিলেন মুহিবুল্লাহ। বৈঠকে প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলছিলেন। এরইমধ্যে হঠাৎ সন্ত্রাসীরা এসে তাকে খুন করে চলে যায়। এ সময় সেখানে আগে থেকে উপস্থিত থাকা লোকজনও সন্ত্রাসীদের দেখে কোনো বাধা না দিয়ে সরে যান। তবে ওই সময় নিরাপত্তাকর্মী নুরুল আলম অফিসের পশ্চিম পাশের সরু পথের পর্দা সরিয়ে দিতে গিয়েছিলেন বলে নুরুল আলমসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
এনটি