বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৭ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩ শাবান ১৪৪৭


ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীকে সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজধানী ঢাকার মগবাজারে বাংলাদেশ রোগী কল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ২২ অক্টোবর (শুক্রবার) বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীকে সরকারি খরচে ব্যয় ভার বহনের দাবি জানানো হয়।

বিশিষ্ট সমাজসেবক নুরুল আফসার বিএসসির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার।

উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণআজাদী লীগের মহাসচিব মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও কো চেয়ারম্যান ডা. মুহাম্মদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ, কুটির শিল্প ও কারিগরি প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল আলম, রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুহা. সাইফুল ইসলাম, টাইম টিভির নির্বাহী পরিচালক এইচ এম সালা উদ্দিন কাদের।

প্রধান অতিথি বাপ্পি সরদার বলেন, বর্তমান সময়ে উদ্বেগজনকহারে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। যদিও প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার গবেষণা সারা পৃথিবী জুড়ে অনেকটা সফল হলেও শেষ স্তরের চিকিৎসা এখনও আলোর মুখ দেখেনি। এই ক্ষেত্রে সম্প্রতি বর্তমান সরকার ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট চালু করতে যাচ্ছে। তবে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ব্যয় ভার সরকারিভাবে বহন করলে সাধারণ জনগণ উপকৃত হবে।

ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ বলেন, বাংলাদেশ রোগী কল্যাণ সোসাইটি সারা বাংলাদেশে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। চিকিৎসা খাতে আরো বেশি গবেষণা জোরদার করা দরকার। উন্নত গবেষণার মাধ্যমে টেকসই চিকিৎসা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালগুলো দুর্নীতি বন্ধ ও চিকিৎসার মান উন্নত করতে পারলে রোগীরা সঠিক সেবা পেতে পারবে।

এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়-

১. দেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত প্রত্যেকটা রোগীকে বিনামূল্যে সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে হবে।

২. বায়ু দূষণ বন্ধ ও মেডিকেলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

৩. বিভাগীয় ভাবে ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং সরকারি হাসপাতালে শূন্যপদে ডাক্তার নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।

৪. স্বাস্থ্য বীমা বাধ্যতামূলক করার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নিতে হবে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ সময় শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রদান করা হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ