রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

ফজর নামাজের আজানরত অবস্থায় মুয়াজ্জিনের ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফজরের নামাজের আজানরত অবস্থায় আলহাজ হাসানি নামের মিসরী এক বুজুর্গ মুয়াজ্জিন ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার এমন সুন্দর ব্যতিক্রমী অবস্থায় ইন্তেকালের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বেশ ইতিবাচক আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।

এ ঘটনায় অনেকেই মুয়াজ্জিনের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি নিজেদেরও যেন দুনিয়া থেকে এমন ‘খাতেমাহ বিল-খাইর’ তথা উত্তম বিদায় হয়, সেজন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন।

সৌদি আরবের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আলআরাবিয়া জানিয়েছে, মিসরের আল-মানুফিয়া জেলার আল-বাজাউর এলাকার একটি মসজিদে শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) এমনটি ঘটে। আজানের ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ তথা ‘নামাজের জন্য এসো’ - এই অংশটুকু বলা শেষ হওয়ার পর মুয়াজ্জিন আলহাজ হাসানির ইন্তেকাল হয়।

স্থানীয়রা জানান, তিনি আদতে অত্যন্ত ভাল ও সদাচারী একজন মানুষ ছিলেন।

আলহাজ হাসানির ছেলে মাহমুদ হাসানি জানান, কয়েক বছর যাবত তার বাবা মহল্লার মসজিদে স্বেচ্ছায় ও বিনাপারিশ্রমিকে আজান দিচ্ছেন। তিনি নিজে শুধু একজন খালেস নামাজী ছিলেন এমন নয় বরং অন্যদেরকেও নামাজের প্রতি যত্নবান হতে দাওয়াত দিতেন।

ইন্তেকালের দিনের ঘটনা বর্ণনা করে মাহমুদ হাসানি বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো শুক্রবার ভোরেও অজু করে বাবা মসজিদে যান। তিনি আজান শুরু করেছেন, আমরা তাও শুনি। কিন্তু হঠাৎ ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ বলার পরে আর কোন আওয়াজ শোনা যায়নি। আমরা দৌড়ে মসজিদে গেলাম একথা জানতে যে, আজান কেনো পূর্ণ করা হলো না। কিন্তু আমরা মসজিদে প্রবেশ করে দেখতে পাই, বাবা মসজিদের মেঝেতে কিবলামুখী হয়ে পড়ে আছেন। বুঝতে পারি - তিনি আর পৃথিবীতে নেই।

সূত্র: আলআরাবিয়া।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ