বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংবিধান উপেক্ষা করে কাশ্মীরে মসজিদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ শুরু ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন: খেলাফত মজলিস ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি

জেরুসালেমে আরও ৩ হাজার বসতি নির্মাণ করবে ইসরায়েল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জেরুসালেমে আরও তিন হাজার বসতি নির্মাণের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ফিলিস্তিন বিষয়ক দখলদার ইসরায়েলের কথিত পৌরসভা এই অনুমোদন দিয়েছে।

এএফপির খবরে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে তিন হাজার বসতি নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত ছয় হাজার বসতি নির্মাণ করা হবে।

ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, অধিকৃত ভূখণ্ডকে ইহুদিকরণের অংশ হিসেবে এই বসতি নির্মাণ করা হচ্ছে এবং পরিকল্পিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের যে পরিকল্পনা রয়েছে তাতে বর্তমান ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে পুরোপুরি বিভক্ত করার তৎপরতা চালাচ্ছে তেল আবিব।

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলি সেনারা পূর্ব বায়তুল মুকাদ্দাস শহর দখল করে নেয়। তবে আন্তর্জাতিক সমাজ ইসরায়েলের এই দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি।

গত মে মাসে পশ্চিম তীরে নতুন করে বসতি নির্মান বন্ধ করতে ইসরায়েলকে অনুরোধ জানিয়েছে ইউরোপের ক্ষমতাধর পাঁচটি দেশ। মূলত ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংকটের মূল কেন্দ্র হলো ইহুদি, ইসলাম ও খ্রিস্টান ধর্মের পবিত্র স্থান জেরুসালেম।

১৯৬৭ সালে ছয়দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল পূর্ব জেরুসালেম, পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা দখল করে নেয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ মনে করে, তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুসালেম। বিশ্বের অনেক দেশই মনে করে পশ্চিম তীরসহ অন্যান্য অঞ্চলে ইসরায়েল যে বসতি স্থাপন করেছে তা অবৈধ।

পুর্ব জেরুসালেমেও ইসরায়েলের বসতি বৃদ্ধি বিশ্বের অনেক দেশের নেতাদের কাছেই স্বীকৃত নয়। ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরেই শহরটিতে ইসরায়েলি-ইহুদিদের উপস্থিতি বাড়ানো, বাড়িঘর ভাঙ্গা, দৈনিক পুলিশি হয়রানি এবং বসতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৈরি বেশ কয়েকটি নীতিমালা পরিবর্তনের দাবি করে আসছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ