বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

আবারও গৃহবন্দি কাশ্মীরের ৩ নেতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আবারও ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক তিন মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দি করেছে প্রশাসন।

নির্বাচনী আসনের সীমানা নির্ধারণ-সংক্রান্ত কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন তারা। এ আন্দোলন ঠেকাতে গতকাল শনিবার তাদের গৃহবন্দি করা হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ, মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাহ রাজধানী শ্রীনগরের গুপকার রোডের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সে সময়ে উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ওই এলাকা সিল করা হয়েছে।শ্রীনগর পুলিশ ওই এলাকায় রাজনৈতিক নেতাদের বাড়ির সামনেও নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি মোতায়েন করেছে। ফলে রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে বাইরে থেকে কেউ প্রবেশ করতে পারছেন না এবং কেউ বাড়ি থেকে বেরও হতে পারছেন না।

সম্প্রতি সীমানা নির্ধারণ কমিশন বিধানসভা আসনের সীমানা বণ্টনের বিষয়ে খসড়া প্রস্তাব দিয়েছে। ওই কমিশন কাশ্মীরের একটি আসনের বিপরীতে জম্মু প্রদেশের জন্য ছয়টি অতিরিক্ত আসনের প্রস্তাব করেছে, যা সাবেক রাজ্যের উভয় প্রদেশের জনসংখ্যার অনুপাতের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।

বিরোধীরা এই প্রস্তাবকে লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত এই আসন বণ্টন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে একজনের একটি ভোট- এই অধিকারের পরিপন্থী। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ নেতৃত্বাধীন গুপকার জোট। এরপরই তাদের গৃহবন্দি করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫-ক অনুচ্ছেদ দুটি বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরকে দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করে কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে ভারতের অন্য রাজ্যের বাসিন্দাদের কাশ্মীরে সম্পত্তি ক্রয় করার ওপর বিধিনিষেধ উঠে যায়। পাশাপাশি অন্য রাজ্যে বসবাসরত ভারতীয়দের কাশ্মীরে সরকারি চাকরি পাওয়া কিংবা স্থায়ীভাবে বসবাসের বিধিনিষেধও বাতিল হয়ে যায়। তবে শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে স্থানীয় সব রাজনৈতিক দল। সে সময়ও এই তিন মুখ্যমন্ত্রীসহ বহু রাজনীতিবিদকে গৃহবন্দি করেছিল সরকার।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ