বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

সংক্রমণ কমছে, স্কুল-কলেজ খুলে দিলে সমস্যা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিত বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, এখন করোনার সংক্রমণ কমে আসছে। গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত সারাদেশে করোনা সংক্রমণ ১৫ শতাংশ ছিল, যদিও মৃত্যুহার বেশি ছিল। যেহেতু করোনা কমে আসছে, সেহেতু সামনে স্কুল-কলেজ খুলে দিলে সমস্যা হবে না।

আজ শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদরের গড়পাড়া এলাকার শুভ্র সেন্টারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আশার কথা হলো স্কুল–কলেজের প্রায় সব শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হয়ে গেছে। কলেজের প্রায় ২৮ লাখ শিক্ষার্থী বুস্টার ডোজ নিয়েছেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। আমাদের কাছে পরামর্শ চাইলে আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি। ২১ ফেব্রুয়ারির পর স্কুল–কলেজ খুলে দেওয়া হতে পারে। তবে আমাদের পরামর্শ থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেন স্কুল–কলেজ খোলা হয়। এ ছাড়া যেসব শিক্ষার্থী টিকা নেয়নি, তারা যেন টিকা নিয়ে নেয়।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘করোনায় অনেক ছেলেমেয়ে স্কুল-কলেজে লেখাপড়া করতে পারেনি। বিশ্বে অনেক স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে ক্লাস চলছে। স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার বিষয়ে আমাদের অনুমতি থাকবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের ৮৫ ভাগ মানুষের টিকা নেওয়া হয়ে গেছে। তাদের মৃত্যুঝুঁকি কমে গেছে। তবু আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।’

এ সময় মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম হোসেন খান চৌধুরী, জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশ্বাদ উল্লাহ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুতফর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ